0%

আর্থিক ধাক্কায় নাজেহাল আমেরিকা, অবশেষে ইরান যুদ্ধে দাঁড়ি টানছেন ট্রাম্প!

ছ’মাস পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও তুঙ্গে ইরান-আমেরিকা সংঘাত। এই যুদ্ধের মাশুল আর্থিকভাবে গুনতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে। এর জেরে টান পড়েছে মার্কিন অর্থনীতিতে। এই পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধ নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানালেন, আগামী নভেম্বরে আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের (মিড টার্ম ইলেকশন) পরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ (Iran War)।

বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “আমার মনে হয় নির্বাচনের পরই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে। কারণ, ইরান আর বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না।” তাঁর দাবি, আমেরিকার নির্বাচনে প্রভাব ফেলার মরিয়া চেষ্টা করছে ইরান। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টারা প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করছেন যে, এই যুদ্ধ তাঁর মেয়াদের বাকি দু’বছর ধরেও চলতে পারে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে ইরানের ৫টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালায় ওয়াশিংটন। তারপরই পালটা জবাবে জর্ডনে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে পরপর ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তেহরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিবিএস’-এর দাবি, ভয়ংকর এই আক্রমণে আমেরিকার বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট, যা ‘ওয়ার্থগ’ নামে পরিচিত, প্রায় আটটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ইত্যাদি।

আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত, একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানে হামলার পর প্রথম ১০০ ঘণ্টায় আমেরিকার খরচ হয়েছে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৩১০০০ কোটি। বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে খরচ পড়ে সর্বাধিক। মূল্যবান অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও অত্যধিক দামি সব বোমা ব্যবহার করা হয়েছে এই যুদ্ধে। আমেরিকার থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর দাবি, এই যুদ্ধে প্যাট্রিয়টের মতো বিমান প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর সিস্টেমে ১.৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এছাড়া ১২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে যুদ্ধবিমান ও আকাশ পথে হামলা পরিচালনায়। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, ততই বেড়ে চলেছে যুদ্ধের খরচ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker