‘আমার বই বেরোলে তামাশা হবে’, রাজীবের প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া

তাঁর বই প্রকাশিত হলেই তামাশা শুরু হবে। আত্মজীবনী প্রকাশের আগে বিস্ফোরক কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলছেন, ওই বইটিতে তাঁর নিজের গল্প রয়েছে। যে গল্প পড়ার পর অনেকেরই তাঁর সম্পর্কে ধারণা বদলে যেতে পারে। সোনিয়া দাবি করেছেন, রাজীব গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ারও নাকি তীব্র বিরোধী ছিলেন তিনি।
১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর একপ্রকার বাধ্য হয়েই রাজীব গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে বসায় কংগ্রেস। শোনা যায়, সেসময় রাজীবের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় আপত্তি ছিল তাঁর পরিবারের সদস্যদেরই। সেটা এবার প্রকাশ্যেই স্বীকার করে নিলেন সোনিয়া। তিনি বললেন, রাজীবের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা বলা হলে তিনি তার সম্পূর্ণ বিরোধী ছিলেন। যদিও ওই পর্বের পুরোটা বলতে চাননি সোনিয়া। তাঁর বক্তব্য, ‘এখনই এ নিয়ে বিস্তারিত বলা ঠিক হবে না।’
তবে সোনিয়া ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেছেন, তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশিত হলে জনমানসে চর্চা হবে। সেই চর্চাকে ‘তামাশা’ বলে অবিহিত করেছেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন। সোনিয়া বলছেন, “আমাকে নিয়ে অনেকে অনেক কিছু ভাবেন, অনেক কিছু বলেন। যার অনেকটাই সত্যি নয়। আবার অনেকটাই অতিরঞ্জিত। বহু তথ্যই সঠিক নয়। কোথাও বানিয়ে লেখা, কোথাও বাড়িয়ে লেখা।” এবার সেসব কাহিনীর নিজের সংস্করণ তুলে ধরতে চান কংগ্রেস নেত্রী। যদিও এই বইটিকে তাঁর নিজের সংস্করণের থেকে নিজের গল্প হিসাবে তুলে ধরতেই স্বচ্ছন্দ সোনিয়া। তিনি বলছেন, এই ধরনের বই বেরলে তামাশা হয়। তাঁর গল্পও সেটার ব্যতিক্রম হবে না।
সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লভ’ প্রকাশিত হবে আগামী ১০ নভেম্বর। পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস নামের প্রকাশনা সংস্থা ওই বইটি প্রকাশ করতে অস্বীকার করলেও নয়া প্রকাশক জোগাড় করে ফেলেছেন সোনিয়া। ওই বইটি এবার প্রকাশ করবে হার্পার কলিন্স ইন্ডিয়া। ওই বইয়েই ইটালির ছোট শহরে কাটানো শৈশব, কেমব্রিজে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে পরিচয় ও প্রেম, এবং ভারতের রাজনৈতিক পরিবারে প্রবেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।
শেয়ার
লিংক



