0%

Medicines Banned: পেট ব্যথা থেকে জ্বর…এবার নিষিদ্ধ হয়ে গেল ১৬টি ওষুধ, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

নয়া দিল্লি: রোগীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার থেকে আপনার ব্যবহৃত চেনা অনেক ওষুধ আর বাজারে পাবেন না। জানা গিয়েছে, ১৬টি ফিক্সড ডোজ কম্বিনেশন (FDC) ওষুধের (Medicines Bannned) উৎপাদন, বিক্রি এবং বিতরণে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। নিষিদ্ধ হওয়া ওষুধগুলির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক, পেটব্যথার ওষুধ, ডায়াবেটিসের ওষুধ এবং কিছু প্রসাধনী ও ত্বক সংক্রান্ত ওষধ। ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০-এর ধারা ২৬ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষজ্ঞ কমিটি ড্রাগস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড (DTAB) এবং তার উপ-কমিটির পর্যালোচনায় দেখা যায়, এই ওষুধগুলির সংমিশ্রণে কোনও বৈজ্ঞানিক যুক্তি নেই। পাশাপাশি, এগুলির কার্যকারিতা প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক তথ্যও পাওয়া যায়নি।

২০২১ সাল থেকেই চলছিল পর্যালোচনা

নিষিদ্ধ হওয়া ওষুধগুলির মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে। সেই সময় বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য এবং ক্লিনিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ও অন্যান্য পক্ষকেও নিজেদের মতামত জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিশেষজ্ঞ কমিটি তাদের যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়নি। পরে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে উপ-কমিটি এই ১৬টি ওষুধের সংমিশ্রণ নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করে।

অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন

নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে Amoxicillin ও Serratiopeptidase, Amoxicillin ও Serratiopeptidase, Lactobacillus Sporogenes, Cefuroxime ওSerratiopeptidase এবং Cefadroxyl + Probenecid-এর মতো একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক কম্বিনেশন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ক্ষেত্রে একাধিক উপাদান একসঙ্গে ব্যবহারের কোনও স্পষ্ট চিকিৎসাগত সুবিধা প্রমাণিত হয়নি।

পেটব্যথা ও ডায়াবেটিসের ওষুধও নিষিদ্ধ

সরকার Dicyclomine + Paracetamol + Clidinium Bromide-এর মতো পেটব্যথা ও পেটের খিঁচুনির ওষুধের কম্বিনেশনেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পাশাপাশি Gliclazide + Chromium Picolinate নামের ডায়াবেটিসের ওষুধের কম্বিনেশনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় Chromium Picolinate ব্যবহারের সুপারিশ কোনও স্বীকৃত আন্তর্জাতিক বা জাতীয় চিকিৎসা নির্দেশিকায় নেই।

রোগীদের নিরাপত্তাই প্রধান লক্ষ্য

কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, ওষুধের ব্যবহার অবশ্যই বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ও চিকিৎসাগত প্রয়োজনের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। এমন কোনও ওষুধের সংমিশ্রণ, যা রোগীদের অতিরিক্ত উপকার দেয় না বরং সম্ভাব্য ঝুঁকি বাড়াতে পারে, তা বাজারে রাখা উচিত নয়। সরকারের মতে, নিরাপদ ও যুক্তিসঙ্গত ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker