Police send Bangladeshi to holding center in Murshidabad

চোরাপথে ভারতে প্রবেশ। বিয়ে করেন ভারতীয় মহিলাকে। পেতেছিলেন সংসার। বানিয়েছিলেন ভোটার কার্ড। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভোট দেন। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ যায় নাম। অবশেষে বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তার করল সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। তাঁকে পাঠানো হয়েছে লালাগোলা হোল্ডিং সেন্টারে।
ধৃত যুবকের নাম শাহিন শেখ। শামসেরগঞ্জের জালাদিপুর সিমেন্ট গোডাউন এলাকায় থাকছিলেন। তিনি আদতে বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর হঠাৎ পাড়ার বাসিন্দা। ২০২১ সালে তিনি বাংলাদেশ থেকে অবৈধ উপায়ে মুর্শিদাবাদে প্রবেশ করেন। থাকছিলেন জালাদিপুর এলাকায়। স্থানীয় এক মহিলাকে বিয়ে করেন তিনি। নাম বাদ যাওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। সোমবারই ধৃত ওই যুবককে লালাগোলার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হতেই অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য ‘থ্রি-ডি’ নীতি প্রয়োগ শুরু করে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ অর্থাৎ ওপারে পাঠিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। জেলায় জেলায় ডিটেনশন সেন্টারের আদলে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশিকা জারি করা হয়। রাজ্য সরকারের তরফে। তাতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের পর যাঁরা অবৈধভাবে কাঁটাতার পেরিয়ে এদেশে ঢুকেছে, তাঁদের চিহ্নিত করে এই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। এছাড়া একই অভিযোগে এতদিন যাঁরা কারাবন্দি ছিলেন, তাঁদেরও এভাবেই হোল্ডিং সেন্টারে রাখার পর পুশব্যাক করা হবে। সেই নির্দেশ মেনে বাংলাদেশ লাগোয়া লালগোলায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। সূত্র মারফত খবর, এই সেন্টার থেকে অনেককে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে। এবার আরও এক বাংলাদেশিকে আটক করে সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
শেয়ার
লিংক



