এবার বিপদে মহুয়া মৈত্র? ’৪০ কোটি’ মন্তব্য নিয়ে বড় পদক্ষেপের পথে বিদ্রোহী সাংসদরা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূলের (TMC) সংসদীয় দল ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। সদ্য ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই-য়ে মিশে যাওয়ার ঘোষণা করেছেন। বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়দের পাশে রয়েছেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra), কীর্তি আজাদ সহ হাতেগোনা কয়েকজন। এবার সেই মহুয়ার বিরুদ্ধেই বিদ্রোহী সাংসদরা আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন বলে খবর।
ঘোর বিপাকে মহুয়া? | (Mahua Moitra)
বিগত কয়েকদিন ধরেই ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে নিশানা করছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি বিস্ফোরক পোস্ট করেন তিনি। এবার তার পরিপ্রেক্ষিতেই কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়রা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবনাচিন্তা করছেন।
আরও পড়ুনঃ পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা পাবে টাকা! শিক্ষাশ্রী স্কলারশিপে আবেদন পদ্ধতি জানুন
জানা গিয়েছে, সম্প্রতি একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছিলেন বিদ্রোহীরা। সেখানে মহুয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বারাসাতের সাংসদ কাকলি জানিয়েছেন, এই বৈঠকে ২০ জন সাংসদই উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে কিছুদিন আগে সমাজমাধ্যমে মহুয়ার একটি পোস্ট থেকে বিতর্ক শুরু হয়। সম্প্রতি শোনা যায়, মহারাষ্ট্রে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা দলের কয়েকজন সাংসদ একনাথ শিন্দের শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন। উদ্ধব শিবিরের সঞ্জয় রাউত অভিযোগ করেন, এই সাংসদরা ১৫ কোটি টাকা করে নিয়ে এই বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
এই পোস্ট শেয়ার করে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের নিশানা করেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। মহুয়া লেখেন, “মাত্র ১৫ কোটি টাকা? এত সস্তায় কেন যাচ্ছেন? আমার বিশ্বাস, আমাদের সাংসদেরা অগ্রিম হিসেবে ৪ কোটি টাকা করে নিয়েছেন। এছাড়া বাকি ৩৬ মাসের জন্য ১ কোটি টাকা করে নিচ্ছেন”।

এরপরেই শোনা যাচ্ছে মহুয়ার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটতে পারেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। এই বিষয়ে বীরভূমের এমপি শতাব্দী রায় বলেন, “মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। আপাতত শুধু এটুকুই বলতে পারব”। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
এদিকে বিধানসভা ভোটে হারের পর তৃণমূলের একাধিক সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে দিলেও মহুয়া ‘দিদি’র পাশেই রয়েছেন। এবার তাঁর ’৪০ কোটি’ মন্তব্য নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে বিদ্রোহীরা।




