কপাল খুলছে ‘যোগ্য’ আবেদনকারীদের! অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে নয়া তথ্য সামনে

সবদিক নিউজ:বিরোধী থাকাকালীন দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতোই রাজ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বদলে এসেছে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)। ভাতাও হয়েছে দ্বিগুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারের (State Government) আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হত যোগ্য উপভোক্তাদের। বর্তমান বিজেপি সরকার সেই ভাতা দ্বিগুন করেছে। দেড় হাজারের বদলে দেওয়া হচ্ছে তিন হাজার টাকা। সাথে আছে ১২ পাতার ফর্ম।
অন্নপূর্ণার মাধ্যমেই মিলবে অন্যান্য প্রকল্পের সুবিধা? Annapurna Yojana
প্রথম থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার দীর্ঘ ফর্ম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দীর্ঘ ফর্ম পূরণ করতে রীতিমতো ঘাম ছুটছে। তবে এত অভিযোগ, বিতর্কের পরও ১৬ দিনে অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করেছেন ৮৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ২১৩ জন। এদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার লম্বা ফর্মের পেছনে রয়েছে অন্য কারণও।
রিপোর্ট বলছে, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মের মাধ্যমে আবেদনকারীর ও তাঁর পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করছে সরকার। সেই কারণে এই প্রকল্পের জন্য পোর্টালের নামও রাখা হয়েছে ‘ফ্যামিলি লেভেল ডেটা কালেকশন পোর্টাল’। ইউআরএল, socialregistry.wb.gov.in। রাজ্যের নাগরিকদের স্বচ্ছ ডেটা ব্যাংক তৈরি করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে।
আম জনতার এসব তথ্য নিয়ে কী করবে রাজ্য সরকার?
এই অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মের তথ্য থেকেই আগামী দিনে নীলবে যাবতীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা। এই তথ্যপঞ্জির উপর ভিত্তি করেই কেন্দ্র বা রাজ্যের প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন আবেদনকারীরা। খবর এমনটাই। উল্লেখ্য, এর আগে এই প্রকল্পে আবেদনের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) বলেছিলেন,”এই যে বলছে এতগুলো ১২ পাতার ফর্ম। এগুলো ডেটার জন্য। ফর্ম ফিল-আপ না করতে পারলে যে আপনি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না, তা কিন্তু নয়।”
রাজ্যের মন্ত্রী বলেছিলেন, “আগামীদিনে আমরা এরকম আরও প্রকল্প নিয়ে আসছি, সেই জন্য এই ডেটা আমাদের দরকার।” আবেদনকারীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেছিলেন, “যতটা সম্ভব ফিল-আপ করুন, না পারলে লিখে দিন নট অ্যাপ্লিকেবল। বাকিটা আমরা দেখে নেব।”

আরও পড়ুন: মেট্রোর পর এবার গাড়ি! হুগলি নদীর তলায় আন্ডারওয়াটার টানেলের মেগা পরিকল্পনা শুভেন্দু সরকারের
সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনায় যে ৮৯ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে, তাতে ইতিমধ্যেই ২ কোটি ৯২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৯৫ বা প্রায় তিন কোটি রাজ্যবাসীর তথ্য সরকারের হাতে এসেছে। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনকারী মহিলাদের পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে গোটা পরিবার তথ্য সংগ্রহ করছে রাজ্য সরকার।




