0%

নাবালিকাদের নিয়ে চলত যৌনখেলা! এপস্টাইনের সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি ফাঁস, ১ দিনেই গায়েবও হয়ে গেল

ওয়াশিংটন: ট্রাম্প আর বিতর্ক যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। আবারও এপস্টাইন ফাইল নিয়ে বিতর্ক। আমেরিকার একটা কালো অধ্যায় রয়েছে এপস্টাইন ফাইলে, যা এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রকাশ্যে আসেনি। যেটুকু যা তথ্য, ছবি সামনে এসেছে, তা ভয়ঙ্কর। এমন তাবড় তাবড় ব্যক্তিদের নাম জড়িয়ে রয়েছে, যা মার্কিনবাসী কল্পনাও করতে পারেনি। এর মধ্যেই আরেক কাণ্ড। জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের পাবলিক ওয়েবপেজে এপস্টাইন সংক্রান্ত যে ছবি, তথ্য আপলোড করা ছিল, তার মধ্যে থেকে রাতারাতি ডিলিট হয়ে গেল। এর মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিও ছিল।

আমেরিকার প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন জেফারি এপস্টাইন। মার্কিন ধনকুবেরের বিরুদ্ধে ছিল যৌন অপরাধের অভিযোগ। এপস্টাইনের নিজস্ব একটি দ্বীপ ছিল, যেখানে আমেরিকার বড় বড় ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিবিদ, অভিনেতা-গায়করা যেতেন এবং পার্টি করতেন। সেখানেই কাজে রাখা হয়েছিল অল্পবয়সী নাবালিকাদের। তাদেরকে বাধ্য করা হত প্রভাবশালীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে। ২০ হাজার পাতারও বেশি বিশাল ফাইল রয়েছে। তবে কখনওই এই তথ্য সম্পূর্ণ প্রকাশ করা হয়নি। এপস্টাইনের সঙ্গে কাদের ওঠ-বস ছিল, কারা যৌন অপরাধে যুক্ত- তা পুরোপুরি প্রকাশ পায়নি। বিরোধী ডেমোক্রাটিক দল দীর্ঘদিন ধরেই এই ফাইল সম্পূর্ণ প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছিল।

নিজের দল, রিপাবলিকানদের কাছে চাপে পড়েই সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এপস্টাইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টবিলে  সই করেন।  ছবিগুলি একে একে বেরতে শুরু করে। শুক্রবার এই ছবি সরকারি ওয়েবসাইটে পোস্ট হয়। তাতে মহিলার নগ্ন ছবি যেমন ছিল, তেমনই মেলানিয়া ট্রাম্প, বিল ক্লিনটন, মাইকেল জ্যাকসনের ছবিও পাওয়া যায়। তার মধ্যে এপস্টাইনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ছবিও দেখা যায়। আর শনিবারই তা ডিলিটও হয়ে যায়। সরকার এই ফাইল উধাও হয়ে যাওয়া নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

এই নিয়ে সরব হয়েছে ডেমোক্রাটরা। তারা ট্রাম্পের ছবি পোস্ট করে লেখেন, “আর কি কি লুকানো হবে? আমেরিকার নাগরিকদের জন্য স্বচ্ছতা চাই।”

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker