বিউটি বুস্টার না স্বাস্থ্যঝুঁকি? হেয়ার এক্সটেনশনে প্রচুর রসায়নিকের উপস্থিতিতে ক্যান্সারের আশঙ্কা, সতর্ক করল গবেষণা – সবদিক

অকালে চুল ঝরে পড়লে অনেকেই হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করেন। হেয়ার এক্সটেনশন বা নকল চুলে টাকে লাগিয়ে রাখেন। হেয়ার এক্সটেনশন ব্যবহার করলে আদৌ ভালো হবে না খারাপ হবে, এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না। সাম্প্রতিক গবেষণা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, হেয়ার এক্সটেনশনের মতো বিউটি বুস্টার ব্যবহারে আদতে লুকিয়ে থাকে বিপদের আশঙ্কা।
গবেষকরা সিনথেটিক ও ন্যাচরাল ফাইবারের তৈরি হেয়ার এক্সটেনশনে ৯০০ রকমের বেশি রাসায়নিক উপাদান পেয়েছেন। এসব অনেক রাসায়নিক উপাদানের জন্য ক্যানসার, হরমোনের নিঃসরণে গন্ডগোল, বন্ধ্যাত্বর মতো সমস্যা হতে পারে।
গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে গত ১১ ফেব্রুয়ারি আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি জার্নাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হেলথ নামক জার্নালে। গবেষকরা ৪৩ রকমের আলাদা আলাদা হেয়ার এক্সটেনশন প্রোডাক্ট নিয়ে গবেষণা চালান। গবেষকরা ৯০০ রকমের বেশি রাসায়নিক উপাদান পেয়েছেন। এরমধ্যে ১৬৯ রকমের ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান পেয়েছেন গবেষকরা। এসব ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান হরমোন সিস্টেমকে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটায়। হেয়ার এক্সটেনশন যাতে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা যায় তাই নানান রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান লাগানো হয়।
তাই হেয়ার এক্সটেনশন ব্যবহার করলে ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব ও ফুলে যায়। হেয়ার এক্সটেনশন ধুলে বা তাপ দিয়ে স্টাইল করলে বিষাক্ত গ্যাস বেরোয়। এর ফলে চোখ, নাক, গলা ব্যথা বা চুলকানি হয়। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করলে লিভার ও নার্ভাস সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।



