0%

Shamik Bhattacharya’s campaign in Falta has hit out at Tmc

২১ মে ফলতায় পুননির্বাচন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া হুঁশিয়ারির পর রবিবার ফলতায় দাঁড়িয়ে একের পর এক বোল্ডআউট বার্তা দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন তাঁর বক্তৃতার আগাগোড়ায় বাংলা জয়ের আত্মবিশ্বাসী ছাপ ছিল। তৃণমূলকে ‘অতীত’ করে নতুন জমানায় প্রাণ ভরে শ্বাস নেওয়ার আশ্বাস দেন শমীক। ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় বিরোধী শিবিরের উদ্দেশে পরপর কটাক্ষ ছুড়ে দেন তিনি।

এই বিষয়ে আরও খবর

বাংলার মসনদে বিজেপি। ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৭ আসনই এখন গেরুয়াশবিরের দখলে। বাকি থাকা একটি আসনে কার্যত জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই শমীকের দাবি, “মানুষ তৃণমূলকে নির্বাসিত করে দিয়েছে। একেন বাবুর মাথায় চুল গজালেও গজাতে পারে, তবু তৃণমূল আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না।” গড় হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বিজেপির ব্যাপক জয়ের কথা মনে করিয়ে শমীকবাবু বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে বিজেপি কর্মীরা। আগের সরকারের আমলে নেতা-নেত্রী-মন্ত্রী-পুলিশ-প্রশাসন মিলেমিশে একাকার ছিলেন। এখানকার নেতা অমিত শাহকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ৪ তারিখ রাত বারোটার পর ডিজে বাজাবেন বলে। এখন তিনি কোথায়? এখন ডিজের বদলে তৃণমূল নেতাদের ঘরে ঘরে হারমোনিয়াম বাজছে।” এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নাম না করে অভিষেককে ‘বীর’ খোঁচা দিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় বলেন, “তোমাকে আমরা মিস করছি, তুমি এসো। এরম করে না, একটু তো এসো।”

প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের ভোটপ্রচারে বেরিয়ে বারবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে উঠে এসেছিল হুমকির সুর। আরামবাগে মিতালী বাগের উপর হামলার অভিযোগে গাড়ির মাথায় দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেছিলেন, ‘৪ তারিখ রাত ১২টার পর আমিও দেখে নেব, কার কোন দিল্লির বাবা কাকে বাঁচায়। রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে সেদিন।’ ৪ মে ফলপ্রকাশের পর তৃণমূলের নেতারা এখন জনরোষে জর্জরিত। ব্যাপক হারে মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছেন না মন্ত্রী-সান্ত্রীরা! ফলতায় দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবারের ‘বীর’ অভিষেককে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে আসার পরামর্শও দেন শমীক।

এই বিষয়ে আরও খবর

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker