ট্রলারডুবিতে মৃত ৯ মৎসজীবি, পরিবারকে আর্থিক সাহায্য থেকে চাকরির প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর

সবদিক নিউজ: বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৯ জন মৎজীবী। এখনও নিখোঁজ আরও ৬ জন, তাদের খোঁজ চালু রয়েছে। জুলাই মাসের শুরুর দিকে মৎস্যজীবীদের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় আগেই শোক প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার ওই শোকাহত মৎস্যজীবীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার, সাথে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)।
বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করার পাশপাশি তাদের আর্থিক সাহায্য ও চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। জানা যাচ্ছে, মৃতদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যকে সিভিক ভলান্টিয়ার পদে চাকরি দেওয়া হবে ।
সূত্রের খবর আগামী রবিবার অর্থ্যাৎ ২৬ জুলাই এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। রামনগর ১ ব্লক কার্যালয় থেকেই পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হবে। নতুন সরকারের এহেন দ্রুত পদক্ষেপ দকেহে কিছুটা হলেও ভরসা পেয়েছেন মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবার।
আরও পড়ুনঃ লাগছে না স্মার্ট মিটার, প্রতিমাসেই আসবে বিদ্যুতের বিল, বিধানসভা থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
প্রসঙ্গত আগেই প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। এক্ষেত্রে স্বজনহারা মৎস্যজীবী পরিবার ২ লক্ষ টাকা এবং আহত মৎস্যজীবীদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা সাহায্য পাবেন।
প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির এই ঘটনায় মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। জীবিকা অর্জনের উদ্দেশ্যেই অন্যান্য দিনের মতো গত ২ জুলাই শঙ্করপুর মৎস্য বন্দর থেকে ‘জয় মা কালী’ নামের একটি ট্রলারে চেপে সমুদ্রে রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু এরইমধ্যে ঘটে যায় সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। হঠাৎ করেই ৫ জুলাইয়ের পর থেকে তাঁদের সাথে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত কোস্ট গার্ড এবং রাজ্য সরকারের যৌথ তল্লাশি অভিযানে সুন্দরবনের বাঘের চক এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় ট্রলার। জানা যাচ্ছে মোট ১১ জনের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, তাঁদের দেহ চিহ্নিতকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে।




