ডোপ টেস্টে অনুপস্থিত থাকায় বিপাকে যশস্বী জয়সওয়াল ও শেফালি ভার্মা! কড়া অ্যাকশন NADA-র

সবদিক নিউজ: বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, এবার ন্যাশনাল-অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি তথা NADA-র নজরে রয়েছেন ভারতের তারকা ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়াল এবং শেফালি ভার্মা। মূলত, ডোপ টেস্টের (Dope Tests) জন্য বাধ্যতামূলক ‘লোকেশন’ সংক্রান্ত শর্তাবলী পালনে ব্যর্থ হওয়ায় এমনটা ঘটেছে। উভয় খেলোয়াড়ই বর্তমানে নাডার ‘রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুল’-এর অংশ। এই পুলের অধীনে, আকস্মিক পরীক্ষার জন্য খেলোয়াড়দের নিয়মিত তাদের অবস্থানের তথ্য আপডেট করতে হয়।
ডোপ টেস্টে (Dope Tests) অনুপস্থিত থাকায় বিপাকে যশস্বী জয়সওয়াল ও শেফালি ভার্মা:
PTI সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর ডোপিং আধিকারিকরা নমুনা সংগ্রহ করতে এলে শেফালি ভার্মা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। একইভাবে, ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারিত ডোপ টেস্টের জন্য যশস্বী জয়সওয়ালও অনুপস্থিত ছিলেন। এমনকি, আধিকারিকরা তাঁর দেওয়া ঠিকানায় খোঁজার চেষ্টা করলেও, যশস্বীকে খুঁজে পাননি।
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, বাদ পড়া টেস্টগুলির বিষয়ে স্পষ্টীকরণের জন্য NADA ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে উভয় খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে, সংস্থাটি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ওই ক্রিকেটারদেরর কাছ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পায়নি। ফলস্বরূপ, অ্যান্টি-ডোপিং নির্দেশিকা অনুসারে উভয় ঘটনাই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ মিসড টেস্ট’ হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই BCCI এবং ICC-কেও এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই খেলোয়াড়দের এখন তাঁদের কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য চূড়ান্ত সাত দিনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর পরেই তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা বিবেচনা করা হবে।
ফিন অ্যালেনের দুরন্ত সেঞ্চুরি! দিল্লিকে পরাজিত করে প্লে-অফের দৌড়ে KKR, পয়েন্টস টেবিলেও বড় চমক
জানিয়ে রাখি যে, NADA-র নিয়ম অনুযায়ী, ‘রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুল’-এ থাকা খেলোয়াড়দের প্রতিদিন এক ঘণ্টার জন্য একটি সময় ও স্থান নির্দিষ্ট করতে হয়, যেখানে তাঁরা ‘আউট অফ কম্পিটিশন’ ডোপ টেস্টের জন্য উপস্থিত থাকতে পারবেন। ডোপিং আধিকারিকরা নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছনোর পর যদি ওই ক্রীড়াবিদকে সেখানে না পাওয়া যায়, তবে ওই ঘটনাকে ‘হোয়ারঅ্যাবাউটস ফেলিয়ার’ বিবেচনা করা হয়।
৫ বছরে ৫,৮৮৬ শতাংশ রিটার্ন! শেয়ার বাজারে রকেটের গতি এই স্টকে, আপনার পোর্টফোলিওতে আছে নাকি?
আপাতত, যশস্বী জয়সওয়াল এবং শেফালি ভার্মা উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি প্রথম ‘স্ট্রাইক’ (নিয়ম লঙ্ঘন) হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে, অ্যান্টি-ডোপিং নিয়ম অনুযায়ী, ১২ মাসের মধ্যে ৩ টি ‘লোকেশন ফেলিওর’ (যার মধ্যে পরীক্ষা বাদ পড়া বা তথ্যে ভুল অন্তর্ভুক্ত) অ্যান্টি-ডোপিং নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে। এক্ষেত্রে, খেলোয়াড়রা যদি তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সফলভাবে খণ্ডন করতে না পারেন, তবে, তাঁদেরকে কম্পিটিটিভ স্পোর্টস থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। উল্লেখ্য যে, ভারতীয় ক্রিকেটে এর আগেও একই ধরণের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৯ সালে, নিষিদ্ধ পদার্থ টারবুটালিনের জন্য ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় পৃথ্বী শ-কে ৮ মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছিল যে, সৈয়দ মুস্তাক আলী ট্রফির সময়ে কাশির ওষুধ (কাশির সিরাপ) খাওয়ার কারণে এই পদার্থটি তাঁর শরীরে প্রবেশ করেছিল।



