0%

ভারত ও চিনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেন্দ্র, কূটনীতির ভারসাম্যে কোন ‘খেলা’ নেপালের?

নেপালের জেন-জি আন্দোলনের প্রধান মুখ ছিলেন তিনিই। সেই বলেন্দ্র শাহর বিরুদ্ধেই এবার রাজপথে জেন জি! নেপালের প্রধানমন্ত্রীর ইস্তফারও দাবিও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহেই ভারত ও চিনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেন্দ্র।

নেপালের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলেন্দ্র এতদিন পর্যন্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়টি এড়িয়ে চলতেন। কিন্তু এবার স্ব-আরোপিত সেই নিয়ম ভাঙতে চলেছেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রের বক্তব্য, এই বৈঠকের মাধ্যমে বলেন্দ্র আসলে কূটনৈতিক ভারসাম্য নীতির পথেই হাঁটতে চলেছেন। কিছুদিন পরই বলেন্দ্র সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হবে। জানা যাচ্ছে, সেই সময়ই ভারত ও চিনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। যদিও দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কাঠমান্ডুর কাছে নয়াদিল্লি ও বেজিং যে সমান গুরুত্বপূর্ণ – তা তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য বলেন্দ্রর।

আরও পড়ুন:

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, নেপাল দীর্ঘদিন ধরেই ‘ব্যালান্সিং অ্যাক্ট’-এর নীতি অনুসরণ করে আসছে। একদিকে ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, অন্যদিকে চিনের বিপুল পরিকাঠামো বিনিয়োগ এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর মতো প্রকল্প – দুই শক্তির প্রভাবের মাঝেই নিজের কূটনৈতিক পরিসর ধরে রাখতে চায় কাঠমান্ডু।

ভারত নেপালের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। জ্বালানি, খাদ্য, থেকে ওষুধ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নয়াদিল্লির উপর নির্ভরশীল নেপাল। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আবার নেপালের রেল, সড়ক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়িয়ে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করেছে বেজিং। ফলে কোনও এক পক্ষের দিকে ঝুঁকে পড়া কাঠমান্ডুর পক্ষে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক – দুই দিক থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker