0%

ইরানে রাষ্ট্রপ্রধানের মতো নিরাপত্তা মুনিরের! ভিডিও বোঝাল পাকিস্তানের ‘বস’ সেনাই

তেহরানে উপস্থিত ‘শান্তির দূত’ মুনির (Asim Munir Tehran Visit)। উদ্দেশ্য, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে ইরানের কাছে ট্রাম্পের ‘বার্তা’ পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু এহেন পরিস্থিতিতে পাক সেনাপ্রধানের আচরণ এক অন্য কাহিনিও তুলে ধরল। প্রতিবেশী দেশটির প্রশাসন যে আসলে সেনাবাহিনীর আঙুলে জড়ানো ‘পুতুল’ তা স্পষ্ট হয়ে গেল নতুন করে।

নেট ভুবনে যে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, আসিম মুনিরই বিমান থেকে প্রথমে নামছেন। তাঁকেই স্বাগত জানাচ্ছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি। তাঁর পিছনে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী (যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমতুল্য) মহসিন নাকভি। তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে বিমান থেকে নামেন। এখানেই শেষ নয়, মুনিরের পিছনে দাঁড়ানো নিরাপত্তা কর্মীর হাতে বুলেটপ্রুফ শিল্ড। এই নিরাপত্তা রাষ্ট্রপ্রধানরাই পান। সেনাপ্রধানরা পান না। এই সব দেখে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, পাকিস্তানে সেনার প্রকৃত অবস্থান ঠিক কী তা এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যদিও এটা সেদেশের এক ‘ওপেন সিক্রেট’।

আরও পড়ুন:

এদিকে যুদ্ধজট কাটাতে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিল ইরান-আমেরিকা। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পরও সেই বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে ইতিমধ্যেই দু’পক্ষ রাজি হয়েছে। ইসলামাবাদেই ফের বসবে বৈঠক। তার ঠিক আগেই ইরানে হাজির মুনির। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ভূয়সী প্রশংসা করে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “পাকিস্তান অসাধারণ মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করেছে। ইরান-আমেরিকা চুক্তি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তাদের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসানীয়।” সূত্রের খবর, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই ইসলামাবাদে ফের আলোচনার টেবিলে বসবে দুই দেশ। সেই বৈঠকে আদৌ কোনও রফাসূত্র মেলে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker