সরকারি অফিসে বড়সড় বদল, অগস্টের আগেই চালু হবে এই নতুন ব্যবস্থা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের সরকারি অফিসগুলিতে (Government Office) এবার বাধ্যতামূলকভাবে বসানো হবে স্মার্ট বিদ্যুৎ মিটার। এই কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত সরকারি দফতরে স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শেষ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অগস্ট মাসের মধ্যেই সেগুলি চালু করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারি অফিসে (Government Office) স্মার্ট মিটার বসানোর নির্দেশ
এই নির্দেশ রাজ্যের সব দফতরের প্রধান, বিভাগীয় কমিশনার, জেলাশাসক এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিটার বসানোর কাজ শেষ করতে হবে। সেই সঙ্গে কাজের অগ্রগতি নিয়মিত খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি দফতরগুলিতে (Government Office) স্মার্ট মিটার বসানোর কাজে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাগুলিকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।
কেন নেওয়া হল এই সিদ্ধান্ত?
বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক এবং আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতে ‘রিভ্যাম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম’ (আরডিএসএস) চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী সরকারি অফিসগুলিতে (Government Office) প্রিপেড স্মার্ট মিটার বসানো বাধ্যতামূলক। স্মার্ট মিটার চালু হলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ পরিষেবার উপর নজরদারিও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুরনো পরিকল্পনায় ফের জোর
উল্লেখ্য, স্মার্ট মিটার চালুর বিষয়টি নতুন নয়। বিদ্যুৎ মিটার সংক্রান্ত আইন প্রথম সংসদে পাশ হয় ২০০৩ সালে। পরে ২০০৬ এবং ২০২০ সালে সেই আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হয়। এরপর ২০২৪ সালের গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকীকরণের অংশ হিসেবে স্মার্ট মিটার বসানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় তৈরি হচ্ছে ১০২টি অমৃত ভারত স্টেশন, রেলমন্ত্রীর পাশে বসেই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
রাজ্যে এর আগে স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হলেও পরে তা অনেকটাই ধীর হয়ে যায়। তবে সরকার পরিবর্তনের পর আবার এই প্রকল্পে জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই প্রথম ধাপে সরকারি অফিসগুলিতে (Government Office) দ্রুত স্মার্ট মিটার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।




