0%

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতিহাস বার্সেলোনার ইয়ামালের, নাটকীয় কামব্যাকে ৯ ম্যাচ পর জয় ম্যান ইউয়ের

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জয়ে ফিরল বার্সেলোনা। আগের ম্যাচে পিএসজি’র বিরুদ্ধে ধাক্কার পর ঘুরে দাঁড়াল হান্সি ফ্লিকের দল। নেপথ্যে লামিনে ইয়ামালের নজির গড়া গোল। জোড়া গোল রাফিনহারও। আর জয়ে ফেরার কথা যদি বলতেই হয়, তাহলে বলতে হয় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কথা। ৯ ম্যাচ পর জয়ের মুখ দেখল রেড ডেভিলসরা। তাতে নাটকের কমতি ছিল না। ম্যাথিউস কুনহা জোড়া গোলে করে কামব্যাক করালেও শেষে লাল কার্ড দেখলেন।

ইউসিএলে পিএসজি’র কাছে ২-৪ গোলে হার। তারপর এল ক্লাসিকোতেও পরাজয়। আচমকাই নড়বড়ে দেখাচ্ছিল বার্সেলোনাকে। তবে অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দাপুটে কামব্যাক স্পেনের ক্লাবের। ঘরের মাঠে ৭ মিনিটে গোল করেন ইয়ামাল। ভিলার ডিফেন্ডারদের ভুল কাজে লাগিয়ে বাঁপায়ের বাঁকানো শট জালে জড়িয়ে দেন তিনি। এই নিয়ে চ্যাম্পিনন্স লিগে ১৪টা গোল হয়ে গেল ১৯ বছর বয়সি তারকার। টিনএজার হিসেবে এই লিগে সর্বোচ্চ গোলের মালিক এখন ইয়ামালই। ভেঙে দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপের ১৩ গোলের নজির। এরপর ৫২ ও ৬৪ মিনিটে জোড়া গোল করে বার্সেলোনার জয় নিশ্চিত করেন রাফিনহা।

তবে ইউসিএলে আসল নাটক ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড বনাম রোমা ম্যাচে। মাইকেল ক্যারিকের দল শেষ জয় পেয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসে। তারপর ৯ ম্যাচ কেটে গিয়েছে। ইউনাইটেড আর জয় পায়নি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রোমার বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধ দেখে মনে হয়েছিল, এই ম্যাচেও অঙ্ক বদলাবে না। ১১ মিনিটে ইটালির ক্লাবকে এগিয়ে দেন মাতিয়াস সৌলে। ১৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান ডনিয়েল মালেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে সব অঙ্ক বদলে যায়। ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় চেষ্টায় পেনাল্টি থেকে গোল করেন ইউনাইটেড অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ। ৮৩ ও ৮৬ মিনিটে জোড়া গোল কুনহার। প্রথমটি ডিফেন্সের ভুলে। তবে দ্বিতীয়টি ফার্স্ট বারে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে। তারপর সোজা গ্যালারিতে উঠে যান। আর ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে তিনি আবার লাল কার্ডও দেখলেন।

অন্য ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখ ২-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে। এছাড়া পিএসজি ৬-০ গোলে হারিয়েছে ভিলারিয়েলকে।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker