‘দল বাছতে দিত না’, কেন ব্যর্থ হন অধিনায়ক হিসেবে? ‘অপেশাদার’ বিসিসিআইকে তোপ শচীনের

তিনি ক্রিকেটের ঈশ্বর। তাঁর ব্যাটিং অতুলনীয়। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে একেবারেই সফল নন শচীন তেণ্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। ভারতীয় ক্রিকেটের এক কঠিন সময়ে তিনি অধিনায়ক ছিলেন। তবে সেই অন্ধকার যুগ থেকে টিম ইন্ডিয়াকে উদ্ধার করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু কেন ব্যর্থতা? সেটার জন্য কি শুধু শচীন দায়ী? নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও চক্রান্ত ছিল। সেই নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন ক্রিকেট কিংবদন্তি।
দু’দফায় ভারতের নেতৃত্ব দেন শচীন। প্রথমে ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত। তারপর ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালে। কেন সফল হলেন না? এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে শচীন বলেন, “দেশের নেতৃত্ব দেওয়া আমার কাছে সম্মানের। তবে আমি কখনই দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা পাইনি। আজ যে বিসিসিআই দেখছেন, তা অনেক পেশাদার। কিন্তু ১৯৯০-র দশকে এতটা পেশাদার ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট একটা অন্ধকার সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।”
মুখে না বললেও তাঁর ইঙ্গিত বোর্ডের কর্মকর্তাদের দিকে। একই সময়ে ভারতীয় ক্রিকেট যে কী কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিল, সেটাও বলেছেন। ২০০০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত সফরে ম্যাচ গড়াপেটার ঘটনা ঘটে। পরে মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে নিষিদ্ধ করা হয়। সেই পর্যায় থেকে ভারতকে টেনে তুলেছিলেন সৌরভ। যে কারণে শচীন তাঁর পছন্দের অধিনায়কের তালিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে সৌরভের নামও রেখেছেন।
উল্লেখ্য, প্রথম পর্বে শচীনকে আচমকাই নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফের দায়িত্ব দেওয়া হয় আজহারকে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর আবার দায়িত্ব দেওয়া হয় শচীনকে। একবছর পর তিনি নিজেই পদত্যাগ করেন, অধিনায়ক হন সৌরভ। বোর্ডের থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য না পেয়েই কি সরে দাঁড়িয়েছিলেন শচীন? নেতৃত্ব দিয়ে ২৫ টেস্টে ৪টি টেস্ট জিতেছেন। অন্যদিকে ৭৩টি ওয়ানডেতে মাত্র ২৩টি ম্যাচ জিতেছেন।
শেয়ার
লিংক



