0%

খারাপ পারফরম্যান্সের শাস্তি? আচমকাই বন্ধ কেন্দ্রীয় অনুদান, বিদেশে চরম অর্থাভাবে সিন্ধুরা

বিদেশের মাটিতে খেলছেন ভারতের খেলোয়াড়রা। অথচ মাঝপথে আচমকা বন্ধ করে দেওয়া হল তাঁদের আর্থিক সাহায্য! এমনটাই অভিযোগ এনেছেন পিভি সিন্ধুর মতো প্রথমসারির ক্রীড়াবিদরা। চরম আর্থিক সংকটের মধ্যেই কোর্টে নামতে হচ্ছে তাঁদের। তারকা শাটলারদের অভিযোগের তির সাইয়ের দিকে।

জানা গিয়েছে, ভারতের একঝাঁক ব্যাডমিন্টন তারকা পরপর বিদেশের মাটিতে টুর্নামেন্ট খেলার কথা ছিল। ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, ফ্রান্স এবং জার্মানিতে টুর্নামেন্ট খেলতে নেমেছিলেন সিন্ধুরা। প্রসঙ্গত, রবিবার জার্মানিতে হাইলো ওপেনের ফাইনালে ডেনমার্কের লাইন কেয়ার্সফেল্টকে স্ট্রেইট গেমে হারিয়ে খেতাব জিতে নেন অলিম্পিকে জোড়া পদকজয়ী শাটলার। কয়েকঘণ্টার মধ্যে ওই টুর্নামেন্টেরই পুরুষদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন ভারতের লক্ষ্য সেন। সদ্যসমাপ্ত এশিয়াডে ভারতীয় শাটলারদের পারফরম্যান্স অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। মাত্র একটি ব্রোঞ্জ আসে ভারতের ঘরে। সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে ছন্দ ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ব্যাডমিন্টন তারকারা।

জার্মানির টুর্নামেন্ট শেষ হতেই প্রকাশ্যে আসে বিস্ফোরক তথ্য। সূত্রের খবর, বিদেশ সফরে বেরনোর মাত্র কয়েকদিন আগে শাটলারদের জানিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের অনুদান বন্ধ করা হচ্ছে। কার্যত মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তাঁদের। কারণ অনুদান বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ যাতায়াত, খাবার, থাকা-সহ সমস্ত খরচের ভার নিতে হবে অ্যাথলিটদেরই। তার জেরে বহু শাটলারকে নামতে হয় সাপোর্ট স্টাফ ছাড়াই। অনেক ক্ষেত্রে ছিলেন না কোচও।

এই বিষয়টি নিয়ে সিন্ধু ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, “আমি সবটা জানতে পেরে স্তম্ভিত। এমন অভিজ্ঞতা কখনও হয়নি। শেষ পর্যন্ত নিজেই অর্থের ব্যবস্থা করে অংশ নিয়েছি প্রতিযোগিতায়।” আচমকা অনুদান বন্ধ হল কেন? শোনা যাচ্ছিল, এশিয়াডে খারাপ পারফরম্যান্সের শাস্তিস্বরূপ অনুদান বন্ধ করতে পারে ক্রীড়ামন্ত্রক। যদিও সাইয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাডমিন্টন সংস্থা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নথিপত্র পাঠাতে পারেনি। দীর্ঘদিন ধরে এই গড়িমসি চলে আসছে, ফলে বন্ধ হয়েছে অনুদান। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, সিন্ধুর মাপের ক্রীড়াবিদকে কেন এই গড়িমসির মাশুল গুনতে হবে?

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker