0%

পুজোর চাঁদা দিতে জোরাজুরি? সরাসরি ফোন করুন পুলিশকে, বিশেষ ব্যবস্থা লালবাজারের

কলকাতা: দুর্গাপুজোয় চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার পর কালীপুজোয় নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। যান চলাচল, বাজি ফাটানো থেকে পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা, সব ক্ষেত্রেই…

কলকাতা: দুর্গাপুজোয় চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার পর কালীপুজোয় নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। যান চলাচল, বাজি ফাটানো থেকে পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা, সব ক্ষেত্রেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে কালীপুজোর চাঁদা আদায়ের নামে জোরজুলুমের অভিযোগ ঠেকাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল কলকাতা পুলিশ। সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য লালবাজারে চালু হল ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম।

কালীপুজোর চাঁদা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ সামনে আসছে। এই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতে বিশেষ হেল্পলাইন চালু করেছে কলকাতা পুলিশ। কারও কাছ থেকে জোর করে টাকা চাওয়া হলে বা ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা হলে সরাসরি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো যাবে।

লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে কন্ট্রোল রুম। অভিযোগ জানানোর জন্য ১৮০০-৩৪৫-১২৬৭ নম্বর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ৯৪৩২৬২৪৩৬৫ নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

পুজোর নামে জোর করে টাকা আদায়, হুমকি দেওয়া কিংবা কোনও ধরনের চাপ তৈরির ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে পুলিশ। উৎসবের মরসুমে শহরে শান্তি বজায় রাখা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশ

সোমবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে কলকাতার কালীপুজো কমিটিগুলির সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করে কলকাতা পুলিশ। সেখানে মণ্ডপের নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের যাতায়াত, বৃষ্টি এবং আপৎকালীন পরিস্থিতি সামলানোর বিষয়ে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের নির্দেশ, মণ্ডপে ঢোকার রাস্তার তুলনায় বেরনোর পথের প্রস্থ রাখতে হবে দ্বিগুণ। ভিড় সামলাতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দর্শনার্থীদের দ্রুত বের করে আনার জন্যই এই ব্যবস্থা। মণ্ডপে দর্শনার্থীদের উদ্দেশে কোনও ঘোষণা করতে হলে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রাখতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশকর্মীর উপস্থিতিতেই ঘোষণা করতে হবে।

বৃষ্টি শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ফের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে। পাশাপাশি, কোনও বিপর্যয় ঘটলে কীভাবে দ্রুত দর্শনার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরানো হবে, তার জন্য প্রতিটি পুজো কমিটিকে আগাম ইমার্জেন্সি ইভাকুয়েশন প্ল্যান তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শব্দবিধি মেনেই বাজি ফাটানো এবং লাউডস্পিকার ও সাউন্ড বক্স ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। সব মিলিয়ে কালীপুজোয় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগেভাগেই নিরাপত্তার প্রস্তুতি জোরদার করছে লালবাজার।

‘আমেরিকায় গিয়ে প্রতিবাদ করুন দেশে নয়!’ প্রবাসী ভারতীয়দের তুলোধোনা হাইকোর্টের

কলকাতায় বাড়বে অতিবৃষ্টি, তীব্র হবে মিঠা জলের সংকট! সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker