প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি নিশ্চিত! ইহুদি আবেগে শান দিয়ে ফের ইরানে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেতানিয়াহুর

প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি কার্যত নিশ্চিত। এবার ফের ইরান যুদ্ধে মন দিচ্ছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু? সূত্রের খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনায় বসেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশই চাইছে, ইরানের উপর ফের হামলা হোক। তেল আভিভ এবং ওয়াশিংটনের মতে, আলোচনার টেবিলে আর সমস্যা সমাধানের উপায় নেই। যুদ্ধই একমাত্র পথ।
ইজরায়েলের সংসদীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছুঁতে পারেনি কোনও দলই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং বিরোধী নেতা গাদি আইনজেনকোট দুই শিবিরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেক দূরে। অন্যদিকে আরব দলগুলি পেয়েছে ১৯টি আসন। ফলে সরকার গড়ার জন্য আরব দলগুলি আইজেনকোটকে সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু আইজেনকোট চান না আরব দলগুলির সমর্থন নিতে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এহেন পরিস্থিতিতে ২+২ ফর্মুলায় জোট বাঁধতে পারেন যুযুধান প্রতিপক্ষ দুই নেতা।
এই ফর্মুলা অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ২ বছরের মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট। যেহেতু আরব দলগুলি ইজরায়েলের রাজনীতিতে খানিকটা ‘অচ্ছুত’, তাই তাদের এড়িয়েই সরকার গঠনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিকে হাঁটত পারেন নেতানিয়াহু এবং আইজেনকোট। তার ফলে ইহুদি আবেগেও শান দেওয়া যাবে, হাতছাড়া হবে না ভোট ব্যাঙ্কও। এই দু’টি বিষয় আগামী নির্বাচনেও দুই শিবিরের কাজে লাগবে। ফলে ধরে নেওয়া যেতে পারে, অন্তত ২ বছরের জন্য হলেও প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি নিশ্চিত নেতানিয়াহুর।
নির্বাচনের ব্যস্ততা শেষ হতেই ফের যুদ্ধে মন দিচ্ছেন লিকুদ পার্টির নেতা। আমেরিকায় মিড টার্ম নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ইতিমধ্যেই হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন, “১০ মিনিটেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারি।” একইসঙ্গে তিনি প্রকাশ্যে এনেছেন আমেরিকার নয়া ‘টার্গেট লিস্ট’ও। সেখানে প্রথমেই রয়েছে ইরানি সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইয়ের নাম। এহেন পরিস্থিতিতে কথা হয়েছে ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর। সূত্রের খবর, ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রগুলিকে নিশানা করা হতে পারে। তবে হামলা এখনই নয়, হতে পারে আমেরিকার মিড টার্ম নির্বাচনের পরে।
শেয়ার
লিংক



