মতুয়াদের উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়, আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

রবিবার মতুয়া-গড়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম। এই দিন ঠাকুরবাড়িতে আন্তর্জাতিক গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সম্মেলন থেকেই…
রবিবার মতুয়া-গড়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম। এই দিন ঠাকুরবাড়িতে আন্তর্জাতিক গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সম্মেলন থেকেই মতুয়া সমাজের জন্য বড় ঘোষণা করেন। মতুয়া বোর্ডের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানান। এছাড়া তিনি আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরির আশ্বাস দেন।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ঠাকুরনগরের ঠাকুরধামে প্রথম বিজেপিকে প্রতিষ্ঠা করার কাজ শুরু করেছিলেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর। তাঁকে কেউ তাড়িয়ে দেয়নি। তিনি নিজেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে এসেছিলেন। আমরাও দু’জনেই বুঝেছিলাম, এই রাজ্য থেকে যদি আমরা এদের সরাতে না পারি, তা হলে এই রাজ্য গ্রেটার বাংলাদেশে পরিণত হবে।”
রবিবারেও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে সিএএ প্রসঙ্গ৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০১৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর মোদীজি মতুয়াদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছে করোনার কারণে। ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে আমি এখানে এসেছিলাম। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক CAA-র নিয়মাবলী জারি করে দেয়। অমিত শাহ নিজের কথা রেখেছেন। CAA-র বিরোধিতা করেছিলেন একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনাদের সঙ্গে অন্যায় করেছিলেন বলেই ঠাকুর সম্প্রদায় গণতান্ত্রিকভাবে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছে। শুধু সরানোই নয়, তিনি নিজে দু’বার আমার কাছে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।”
নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শুনানি শেষ করে সকলকে সিএএ সার্টিফিকেট প্রদান করব।“এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সবাই এসসি সার্টিফিকেট পাবে।এরপর থাকল ভোটার তালিকায় নাম তোলা। জানুয়ারি মাসে সিএএ সার্টিফিকেট প্রাপকদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আমরা কমিশনকে বলব।”
“মতুয়া সমাজ এখন থেকেই সিএএ সার্টিফিকেট পাওয়ার পর ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সীরা যাতে মহিলারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পান। প্রত্যেকে যাতে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড পান এটাও দেখার দায়িত্ব আপনাদের। তালিকা তৈরি করে দেবেন। সিএম অফিসে একজন আধিকারিককে রেখে দেব। সবটা দেখার জন্য। কেউ যেন সরকারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়,” জানান মুখ্যমন্ত্রী।




