৬ কারণে আটকে যেতে পারে পিএম কিষাণের ২৪ তম কিস্তি! কী করবেন জানুন

SOBDIK NEWS: শুক্রবার পিএম কিষাণ যোজনার (PM Kisan Yojana) ২৪ তম কিস্তি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সারা দেশের প্রায় ৯.৩২ কোটি যোগ্য কৃষকের অ্যাকাউন্টে ২ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও এমন অনেকে আছেন, যারা এই প্রকল্পের (Central Government Scheme) টাকা পাননি। জানা যাচ্ছে, মূলত ৬টি কারণে টাকা আটকে গিয়ে থাকতে পারে।
পিএম কিষাণ যোজনার টাকা না আসার কারণ | (PM Kisan Yojana)
এই কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পে রেজিস্টার্ড কৃষকদের ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক। এখনও এই কাজ না করে থাকলে টাকা আটকে যেতে পারে। কৃষকরা বাড়ি বসে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ওটিপির মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি সেরে ফেলতে পারে।
আরও পড়ুনঃ ‘এলাকায় যেতে হলে অনুমতি নিতে হত’! ইন্দ্রনীল গ্রেফতার হতেই বিস্ফোরক রচনা
পিএম কিষাণ যোজনার সুবিধা শুধুমাত্র সেসব কৃষকরাই পাবেন যাদের নামে চাষযোগ্য জমি রেজিস্টার্ড রয়েছে। এর জন্য ল্যান্ড সিডিং জরুরি। এটা না হলে ও প্রকল্পের অফিশিয়াল পোর্টালে স্ট্যাটাস পেন্ডিং দেখালেও টাকা আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজের রাজ্য কৃষি দফতর বা সংশ্লিষ্ট রাজস্ব আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে জমির নথি আপডেট করিয়ে নিতে পারেন।
পাশাপাশি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক ও এনপিসিআই ম্যাপিং না থাকলে পিএম কিষাণ যোজনার টাকা আটকে যেতে পারে এবং পরিবারের একাধিক সদস্য প্রকল্পের সুবিধা নিলেও কিস্তি আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কারণ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের একটি পরিবার হিসেবে ধরা হয়। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী সেই পরিবারের একজন সদস্যই সুবিধা পেতে পারেন। এবার স্বামী ও স্ত্রী দু’জনের নামেই যদি পিএম কিষাণ যোজনার অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, তাহলে একজনের টাকা আটকে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন না হওয়া অবধি প্রকল্পের টাকা অস্থায়ীভাবে আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পিএম কিষাণ যোজনার ওয়েবসাইটে ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পর জমির মালিকানা পেয়েছেন এমন কিছু উপভোক্তার যোগ্যতা যাচাইয়ের ব্যবস্থা আছে। এই ধরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কৃষক প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়। জমির নথিতে কোনও রকম অসঙ্গতি বা সন্দেহ থাকলে সরেজমিনে যাচাই সম্পন্ন না হওয়া অবধি টাকা আটকে রাখা হতে পারে। সেই কারণে উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে বা জমি কিনলে নিজের যাবতীয় নথি ও পোর্টালে নথিভুক্ত তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত।
এছাড়া পিএম কিষাণ যোজনার নিয়ম অনুযায়ী, মাসে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত বা সুপারঅ্যানুয়েটেড পেনশনভোগীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন। তবে মাল্টি টাস্কিং স্টাফ, গ্রুপ ডি ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
কর্মরত চিকিৎসক, আইনজীবী, ইঞ্জিনিয়ার, স্থপতি, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, সাংবিধানিক পদে থাকা বা আগে থাকা ব্যক্তি, সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী, পুরনিগমের প্রাক্তন বা বর্তমান মেয়র ও জেলা পরিষদের সভাপতিরাও পিএম কিষাণ যোজনার সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন।
প্রত্যেক সরকারি প্রকল্পের মতো পিএম কিষাণ যোজনারও বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে। সেগুলি পূরণ না হলে প্রকল্পের টাকা আটকে যেতে পারে। ফলে এখনও অ্যাকাউন্টে টাকা না এসে থাকলে কী সমস্যা হয়েছে চেক করে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।



