পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে মুখ খোলার ‘শাস্তি’! পাকিস্তানে হঠাৎ আটক ব্রিটিশ কাউন্সিলর

ব্রিটিশ লেবার পার্টির কাউন্সিলর দালাত আলিকে আটক করল পাকিস্তান। কাশ্মীরিদের হয়ে প্রচার চালাচ্ছিলেন তিনি। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হলেও ২৮ অক্টোবর দেশে ফেরার বিমান ধরার আগে থামিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তিনি দেশে ফিরতে পারেননি। মনে করা হচ্ছে কাশ্মীরিদের হয়ে মুখ খোলার খেসারতই দিতে হচ্ছে তাঁকে।
ব্রিটেনের রশাডেল বোরো কাউন্সিলের ডেপুটি নেতা আলির আটক হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায় সেদেশে। ইতিমধ্যেই আলিকে ব্রিটেনে ফেরাতে লেবার পার্টির আরেক নেতা ইমরান হুসেন ইতিমধ্যেই সেদেশের প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। এই বিষয়ে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন ভারতীয় মানবাধিকার কর্মী আজহার আহমেদও। তিনি এই আটকের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জানিয়েছেন, পাকিস্তানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। তিনি ব্রিটেন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা পাক সরকারের কাছ থেকে এই বিষয়ে পূর্ণ ব্যাখ্যা দাবি করে। বলে রাখা ভালো, নিজের লেখায় দালাত আলি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানকে একটি ‘দখলদার শক্তি’ হিসেবেই বর্ণনা করেছেন।
এদিকে আলির বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেওয়া হল, যখন পিওকে-তে কয়েক মাস ধরে তীব্র বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভে বহু মানুষ নিহত হয়েছেন। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে। এছাড়া, পাকিস্তান বিদেশি গণমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এবার থেকে ইসলামাবাদ, করাচি ও লাহোরের বাইরে সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি করতে হলেও তাদের বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে। এহেন নির্দেশ ঘিরে বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে আলির গ্রেপ্তারি ঘিরে সেই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।
শেয়ার
লিংক



