নেপালের পর ভুটান, হিমবাহ হ্রদ ভেঙে ভয়ংকর হড়পা বান, বন্যার শঙ্কা অসম ও বাংলার একাংশেও

নেপালের পর এবার ভুটান। হিমবাহ হ্রদ ভেঙে ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা! উত্তর-পশ্চিম ভুটানের গাসা জেলার একটি হিমবাহ ধসে ভেঙে গিয়েছে শিন্তাফু হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ। মাস দুই আগে কতকটা একই ধরনের ঘটনায় নেপালের ভয়ংকর হড়পা বানের স্মৃতি এখনও টাটকা। জানা গিয়েছে, গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF) বা হিমবাহ হ্রদ ভেঙে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ওই হ্রদের জল ভুটানের মফু নদী হয়ে নেমে আসছে সঙ্কোশ নদীর দিকে। আশঙ্কা করা হচ্ছে এর জেরে অসম ও পশ্চিমবঙ্গের একাংশ বন্যা কবলিত হবে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর মেলেনি।
🚨 BREAKING: भूटान में फूटा ग्लेशियल लेक, भारत में भयंकर बाढ़ का हाई अलर्ट! 🚨 भूटान के गासा में शिंताफू झील फटने (GLOF) से लाखों टन पानी और मलबा मो चू नदी के रास्ते भारत की ‘संकोश नदी’ की तरफ बढ़ रहा है। 🔴 असर और अलर्ट: • पश्चिम बंगाल: अलीपुरदुआर, जलपाईगुड़ी और कूचबिहार में रेड अलर्ट। • असम: कोकराझार और धुबरी जिलों में बाढ़ का भारी खतरा। • प्रशासनिक एक्शन: NDRF तैनात, नदी किनारे के गांवों को तुरंत खाली कराया जा रहा है। उत्तर बंगाल और असम के लोग कृपया सुरक्षित स्थानों पर जाएं और अफवाहों से बचें। 🙏 #Bhutan #GlacialLakeOutburst #NorthBengal #SankoshRiver
— Om Prakash Rastogi (@OmprakashRast13) October 30, 2026
ভুটানের সংবাদমাধ্যমগুলি জানাচ্ছে, বিপত্তি হয় বৃহস্পতিবার সন্ধের দিকে। রাতের অন্ধকারে ভয়ংকর হড়পা বানে ধ্বংস হয়ে যায় নিকটবর্তী গাসা তশাচুর অঞ্চলের বহু ইমারত। উল্লেখ্য, মোফু নদীর উৎসস্থলে অবস্থিত শিন্তাফু হ্রদটিকে ভুটানের ১৭টি সম্ভাব্য বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদের একটি হিসেবে গণ্য করা হয়। সেখানেই ঘটে গেল ভয়াবহ বিপর্যয়। ২০২১ সালের ২৬ আগস্ট একটি বড় আকস্মিক বন্যায় গাসা সাচু (উষ্ণ প্রস্রবণ এলাকাটি) সম্পূর্ণ ভেসে গিয়েছিল। সেই সময় ফুলেফেঁপে ওঠা মোফু নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করেছিল। মনে করা হচ্ছে, রাতে দুর্যোগ ঘটায় এবারের পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট হয়নি। হয়তো শুক্রবার বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
পরিস্থিতি আন্দাজ করে পশ্চিমবঙ্গ ও অসম প্রশাসনকে সতর্ক করেছে ভুটান সরকার। যেহেতু ভুটান-ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। অসমের ধুবড়ি-সহ পাঁচ জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং পাহাড়ি অঞ্চল-সহ আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলাগুলি এই ঝুঁকির আওতায় রয়েছে। ইতিমধ্যে কোচবিহার প্রশাসন সংকোশ নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে। রাজ্যের মন্ত্রী নিশিথ প্রামাণিক সমাজমাধ্যমের জানিয়েছেন, অবিলম্বে কোচবিহার, তুফানগঞ্জ ও বসিরহাটের চা বাগান এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হবে, কারণ সংকোশ ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
শেয়ার
লিংক



