0%

সরকার বদলের আন্দোলনে যোগ দিলে মিলবে না সরকারি চাকরি! নির্দেশিকা জারি রাজ্যের

SOBDIK NEWS: বিগত কয়েক মাসে দেশ জুড়ে একাধিক আন্দোলন হয়েছে। এই আবহে বিরাট নির্দেশিকা জারি করল উত্তরপ্রদেশ সরকার (Government of Uttar Pradesh)। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সরকার বদলের ডাক দিয়ে আন্দোলনে যোগ দিলে সরকারি চাকরিতে (Government Job) সুযোগ মিলবে না। সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের ক্যারেক্টার ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

সরকারি চাকরি নিয়ে কড়াকড়ি রাজ্যের | (Government of Uttar Pradesh)

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, যেসব চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি নিয়োগ হচ্ছে না হবে তাঁদের ক্ষেত্রে এই ক্যারেক্টার ভেরিফিকেশন আরও কঠোর হবে। সরকার বদলাতে হিংস্র আচরণ বা কোনও রকম আন্দোলনের অংশ হলে তাঁরা সরকারি চাকরির সুযোগ পাবেন না।

আরও পড়ুনঃ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড জমা করতে হবে! শিক্ষকদের চিকিৎসা ভাতাও ফেরানোর নির্দেশ রাজ্য সরকারের

রাজ্য জানিয়েছে, আবেদন পাঠানোর ৩০ দিনের মধ্যে লোকাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও জেলা পুলিশকে ক্যারেক্টার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট জমা করতে হবে। তাঁরা বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশন করবেন। সেই সময় আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। রিপোর্ট জমা করতে দেরি হলে স্বরাষ্ট্র দফতর নজরদারি করবে।

তবে উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে, কেবলমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শের উপর ভিত্তি করে কোনও চাকরিপ্রার্থীকে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এফআইআর হলে বা তদন্তাধীন থাকলেই সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই নির্দেশিকা জারি করেছেন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এম দেবরাজ।

এই নিয়ম কাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে?

রাজ্যের নানা বিভাগ, কাউন্সিল, কর্পোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনে যেসব চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি নিয়োগ করা হবে, শুধুমাত্র তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে। প্রার্থীর ২১ বছর পূর্ণ হওয়ার পর যাচাইয়ের তারিখের আগের তিন বছরের মধ্যে এই ধরণের কার্যকলাপে যুক্ত থাকলে ধরে নেওয়া হতে পারে এখনও তিনি সক্রিয়ভাবে ওই কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত।

তবে যদি দেখা যায়, ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর আচরণে ইতিবাচক বদল এসেছে, এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে এই ধারণা পুনরায় বিবেচনা করা যেতে পারে। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

Government of Uttar Pradesh

সমাজবাদী পার্টি মুখপাত্রের দাবি, ব্রিটিশ আমলে এই ধরণের নির্দেশ জারি করা হত। স্বাধীন ভারতে সবার বিক্ষোভ, প্রতিবাদের অধিকার আছে। আইনি, প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকার বদল করা হয়। ভোটের পর এটা হয়। সবাই স্বাধীনভাবে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে।

সাম্প্রতিক অতীতে দেশের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ, আন্দোলন হতে দেখা গিয়েছে। এই আবহে সরকার বদলের ডাক দিয়ে আন্দোলনে যোগ দেওয়া প্রার্থীদের জন্য সরকারি চাকরির দরজা বন্ধ করল উত্তরপ্রদেশ সরকার। নির্দেশিকা জারি করে এই বিষয়ে বিশদে জানানো হয়েছে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker