দিওয়ালির আগেই বাড়ানো হল পুরসভার কর্মীদের মজুরি! ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রীর

SOBDIK NEWS: পুজো মিটতেই দিওয়ালির তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মাঝেই পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। এতদিন দিনে ৩১০ টাকা করে পেতেন গারুলিয়া পুরসভার (Garulia Municipality) প্রায় ৪০০ জন অস্থায়ী কর্মী। এবার থেকে ৩৭০ টাকা করে পাবেন। একধাক্কায় দৈনিক মজুরি ৬০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধি | (Garulia Municipality)
মঙ্গলবার গারুলিয়া পুরসভায় একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। সেখানে একাধিক উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ও নাগরিক পরিষেবা নিয়ে আলোচনা হয়। এরপরেই অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেন রাজ্যের মন্ত্রী। তিনি ইঙ্গিত দেন, গারুলিয়া পুরসভার ধাঁচে আগামীদিনে রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদেরও মজুরি বাড়াতে পারে রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুনঃ যোগ্য হয়েও মিলছে না অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা! পুজোর পরেই দিকে দিকে বিক্ষোভ মহিলাদের
গতকালের বৈঠকে অর্জুন সিং ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং, পুরসভার প্রাক্তন পুর পারিষদ সদস্য গৌতম বসু, বর্তমান প্রশাসক সঞ্জীব সেন, বিজেপি নেতা কুন্দন সিং সহ পুর আধিকারিকরা। সেখানে কর আদায় থেকে গঙ্গার ঘাট সংস্কার সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
সামনেই ছটপুজো। সেই উপলক্ষ্যে প্রত্যেকটি গঙ্গার ঘাটের দ্রুত সংস্কার, পর্যাপ্ত আলোর বন্দোবস্ত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী। সম্প্রতি কাঙালি ঘাটে নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারানো পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, পুরসভার তরফে পুনর্বাসনের স্থায়ী ব্যবস্থা করা হবে। তৈরি করে দেওয়া হবে পাকা বাড়ি।

পাশাপাশি পুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কর ফাঁকি দেওয়া একাধিক চটকল ও কারখানার বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। বকেয়া কর দ্রুত মেটাতে সাতদিনের ডেডলাইন বেঁধে কারখানা কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরকর জমা না দিলে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে উৎসবের মরশুমে গারুলিয়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের মজুরি বাড়ানোয় তাঁদের আনন্দ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। আগামীদিনে রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদেরও মজুরি বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। ফলে তাঁরাও আশায় বুক বাঁধছেন।




