একদিনে পড়ল ১৮ উইকেট! রনজিতে দুরন্ত বাংলা, জয়ের হ্যাটট্রিক সময়ের অপেক্ষা

রাত পেরলেই জয়ের হ্যাটট্রিকের হাতছানি বাংলার সামনে। চলতি রনজি ট্রফিতে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। কখনও ব্যাটারদের দাপট, কখনও বোলারদের কেরামতিতে সাফল্য এসেছে। এবার কেরলের বিরুদ্ধেও জয়ের গন্ধ বঙ্গ শিবিরে। বুধবার তৃতীয় দিনের শেষে যথেষ্ট সুবিধাজনক জায়গায় বাংলা। কিন্তু সাত পয়েন্টের আশা শেষ। ঝুলিতে আসতে পারে ছয় পয়েন্ট।
বৃষ্টিবিঘ্নিত কেরল ম্যাচে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি বাংলার। রান পাননি অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক পোড়েলরা। কিন্তু ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দেন শাহবাজ আহমেদ। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররাও রান করেন। বাংলা পৌঁছে যায় সাড়ে তিনশোর পাহাড়ে। জবাবে কেরল গুটিয়ে যায় ১৪১ রানে। দ্বিতীয় দিনের শেষে কেরল ৬ উইকেট হারিয়েছিল। তৃতীয় দিন সকালে দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যান শচীন বেবিরা। কিন্তু সুযোগ থাকলেও কেরলকে ফলো অন করানো হয়নি।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলা ঝাঁপায় জয়ের লক্ষ্যে। ব্যাটারদের প্রত্যেকেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন। সর্বোচ্চ ৪৭ রান আসে অধিনায়ক অভিমন্যুর ব্যাট থেকে। কিন্তু দ্রুত রান তুলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট খোয়ায় বাংলা। স্কোরবোর্ডে ১৯৮ রান তুলে বাংলা অলআউট হয়ে যায়। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতাতেও বঙ্গ ব্রিগেডের খুব একটা সমস্যা হবে না। কারণ কেরলের সামনে ৪০৮ রানের লক্ষ্য রয়েছে। এবং দিনের শেষে চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে জলজ সাক্সেনারা। ম্যাচের শেষ দিনে কেরলকে তুলতে হবে ৩৫৫ রান।
এই ম্যাচে বাংলার নায়ক বোলাররা। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও চার উইকেট নিয়েছেন প্রদীপ্ত প্রামাণিক। প্রথম ইনিংসে যথাক্রমে তিনটে এবং দুটো উইকেট পেয়েছিলেন মহম্মদ শামি এবং শাহবাজ আহমেদ। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে এখনও তাঁরা উইকেটহীন। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই ম্যাচের তৃতীয় দিনে সবমিলিয়ে ১৮টি উইকেট পড়েছে। অধিকাংশই গিয়েছে স্পিনারদের ঝুলিতে। ফলে চতুর্থ দিনে স্পিনারদের জাদুতে বাংলার জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। চলতি রনজিতে টানা তৃতীয় জয় আসতে চলেছে বাংলার ঘরে।
শেয়ার
লিংক



