Nadanghat: পারিবারিক অশান্তির জের! নাদনঘাটে বঁটি দিয়ে শাশুড়ির নাক কাটলেন বৌমা | Purba Bardhaman Mother In Law Nose Injury Case

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পারিবারিক অশান্তিকে কেন্দ্র করে হুলুস্থুল কাণ্ড শাশুড়ি বৌমার। রাগের বসে শেষে শাশুড়ির নাক কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বৌমার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট (Nadanghat) থানার সোনারুদ্র এলাকায়। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত বৌমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে গুরুতর জখম অবস্থায় শাশুড়িকে (Nadanghat Mother-in-law Nose Cut) চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ অর্থাৎ শুক্রবার, পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানার দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের সোনারুদ্র গ্ৰামে পারিবারিক বিষয় নিয়ে শাশুড়ির সাথে বৌমার অশান্তি শুরু হয়েছিল সকাল থেকেই। কিন্তু সেই অশান্তি বচসা শেষ অবধি রক্তারক্তি কান্ড ঘটালো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বচসা চলাকালীন রাগের বসে বৌমা সবজি কাটতে কাটতেই বঁটি দিয়ে শাশুড়ির নাকে কোপ বসিয়ে দেয়। গলগল করে রক্ত বের হতেই চিৎকার শুরু করেন শাশুড়ি। এরপর পাড়ার লোক ছুটে আসতেই তড়িঘড়ি বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
গুরুতর যখন শাশুড়ি
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত শাশুড়ির নাম চায়না মণ্ডল এবং অভিযুক্ত বৌমার নাম পূর্বা মণ্ডল। প্রায় প্রতিদিনই নাকি দুজনের মধ্যে নানা কারণে অশান্তি শুরু হয়। এদিন স্থানীয়রা গোটা ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে বৌমা পূর্বা মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। শাশুড়ি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী বলে জানা গেছে। এদিন গুরুতর জখম চায়না দেবীকে প্রথমে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কিন্তু পরে সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাকে ঘিরে হুলুস্থুল কাণ্ড শুরু হয়েছে এলাকায়।
দুবাইয়ে গিয়ে নিখোঁজ চুঁচুড়ার যুবক, ছেলের জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ পরিবার
শাশুড়ি বৌমার এই ঝামেলা অশান্তিকে ঘিরে তদন্তে নামে নাদনঘাট থানার পুলিশ। কী এমন বাকবিতণ্ডা হয়েছিল যে বৌমাকে এত বড় পদক্ষেপ নিতে হল সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলার চেষ্টা করা হচ্ছে, যদিও কেউ এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে ঝামেলার সূত্রপাত ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ।



