0%

হিন্দু ছাত্রীদের ধর্মান্তরের চেষ্টা! লখনউ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে তোলপাড়

লখনউ: লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি (KGMU Religious) নিয়ে উত্তর প্রদেশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে…

লখনউ: লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি (KGMU Religious) নিয়ে উত্তর প্রদেশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে কয়েকজন চিকিৎসক ও কর্মী হিন্দু ছাত্রী ও নারী কর্মীদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন।

এসটিএফের এই প্রতিবেদনে প্যাথলজি, মাইক্রোবায়োলজি, রেডিওলজি এবং গান্ধী ওয়ার্ডসহ কয়েকটি বিভাগের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে কিছু পুরুষ চিকিৎসক ও নার্সিং কর্মী নারী সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে যৌন ও মানসিক নির্যাতন করেছেন এবং ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিয়েছেন। ক্যারিয়ার নষ্ট করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

আরও দেখুনঃ ঝাঁসিতে জীবন্ত ইঁদুর পুড়িয়ে মারার অপরাধে গ্রেফতার জিশান-আসিফ, শফিক

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকরা বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানালেও তা দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে। এসটিএফ কয়েকটি অভিযোগ তদন্ত করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এর মধ্যে আগে গ্রেফতার হওয়া কিছু আসামির নামও রয়েছে।

উত্তর প্রদেশ সরকার এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কেজিএমইউ (KGMU Religious)প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে যে নাম উল্লেখিত চিকিৎসক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। মেডিক্যাল এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের পর অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে।

কেজিএমইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভাইস চ্যান্সেলর একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে। এই অভিযোগগুলো গত বছর থেকে উঠে আসতে শুরু করে। পুলিশ কয়েকটি মামলাও দায়ের করেছে। এসটিএফ দীর্ঘ তদন্তের পর এই প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। সরকার এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর দায়িত্ব দিয়েছে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

লখনউয়ের এই ঘটনায় চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। (KGMU Religious)নারী চিকিৎসক ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে। প্রশাসন বলছে, অভিযোগগুলো যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসটিএফের প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিষয়গুলো এখনো তদন্তাধীন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিভাগীয় তদন্তের পরই নেওয়া হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কেজিএমইউকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker