রাশিয়া ‘বধে’ এবার ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট মিসাইল’ দিচ্ছেন ট্রাম্প, তবুও কেন অস্বস্তিতে জেলেনস্কি?

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে ইউক্রেন। কিন্তু এখনও সংঘাতের মেঘ কাটার লক্ষণ নেই। শান্তি অধরাই। এই পরিস্থিতিতে এবার কিয়েভকে সাহায্য করতে এগিয়ে এল আমেরিকা। ইউক্রেনের হাতে ‘প্যাট্রিয়ট মিসাইল’ তুলে দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার মার্কিন বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ৫০০টি প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনকে সরবারাহ করবে। এই চুক্তির আনুমানিক মূল্য ২১০ কোটি ডলার। আমেরিকার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও স্বস্তিতে নেই কিয়েভ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্রগুলি হাতে পেতে বেশ কয়েকবছর সময় লেগে যেতে পারে। অথচ রুশ হামলা থেকে বাঁচতে সেগুলি বাঁচতে শীঘ্রই সেগুলির প্রয়োজন। একাধিক সংবাদমাধ্যমর খবর অনুযায়ী, দীর্ঘ এই যুদ্ধের জেরে ইউক্রেনের অস্ত্রের ভাঁড়ারে টান পড়েছে। বিশেষ করে শীতের আগে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিকাঠামোকে নিশানা করে রুশ হামলা বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন কিয়েভ। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের কাছে ‘প্যাট্রিয়ট মিসাইল’-এর দাবি জানিয়ে আসছিলেন জেলেনস্কি। অবশেষে তাতে সবুজ সংকেত দিল ট্রাম্পের দেশ। জানা যাচ্ছে, এই অস্ত্র কেনায় কানাডা, জার্মানি ও নরওয়ে সম্মিলিতভাবে ইউক্রেনকে সহায়তা করবে। এই চুক্তির মূল দায়িত্বে রয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা লকহিড মার্টিন।
সম্প্রতি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে বিলম্বের অভিযোগ এনেছিলেন জেলেনস্কি। চলতি সপ্তাহেই তিনি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে সূত্রের খবর, ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ইউক্রেনে সরবরাহ করতে এক থেকে দু’বছর লেগে যাতে পারে। কিন্তু রাশিয়াকে মোকাবিলা করতে কিয়েভের হাতে শীঘ্রই অস্ত্র দরকার। তাই জেলেনস্কির আবেদন, আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলির হাতে যে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত রয়েছে, সেখান থেকে আপাতত ইউক্রেনকে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হোক।
শেয়ার
লিংক



