ময়দান খালি! রামলীলা ভরাতে ডেকে ডেকে লোক জড়ো করতে হচ্ছে ইন্ডিকে

নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশন এবং জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ( INDI Bloc)স্বরূপ রামলীলা ময়দানে বিশেষ ইম্পিচমেন্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইন্ডি জোট। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু…
নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশন এবং জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ( INDI Bloc)স্বরূপ রামলীলা ময়দানে বিশেষ ইম্পিচমেন্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইন্ডি জোট। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকেরাও আজ উপস্থিত। গতকাল মমতা বন্দোপাধ্যায় ও এসে পৌঁছেছিলেন এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে। তবে ইন্ডির বিধি বাম। ১০ লক্ষ লোকের উপস্থিতির কথা প্রথমে বলা হলেও দুপুর ১২ পর্যন্ত মাঠ ছিল কার্যত খালি।
সকাল থেকে সমর্থকরা আসতে শুরু করেন। বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা কর্মী ও সমর্থকরা মাঠে জড়ো হন। কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডিসহ জোটের পতাকা উড়তে দেখা যায়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাঠ পুরোপুরি ভরে ওঠেনি। আসন ব্যবস্থার কিছু অংশ খালি ছিল।
আরও দেখুনঃ বিজেপিতে যোগ দিয়েও পিছিয়ে এলেন দুই বিধায়ক! দলত্যাগ বিরোধী আইন ঘিরে বিহারে তুমুল বিতর্ক
মার্চের সময়সূচি ছিল দুপুর ১২টায় মিন্টো রোড থেকে। কিন্তু নেতারা দেরি করেন। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকেও সিনিয়র নেতারা মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবন থেকে বের হচ্ছিলেন। এরপর তাঁদের মিন্টো রোড পৌঁছে পায়ে হেঁটে মাঠে যেতে আরও সময় লাগার কথা ছিল।
ফলে মার্চ প্রায় ৪৫ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। ( INDI Bloc)মাঠে কর্মীরা আশেপাশের এলাকা থেকে মানুষ জড়ো করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে। মঞ্চ থেকে ঘোষণা দিয়ে সমর্থকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। কিছু ব্লকে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। দ্বিতীয় ব্লক প্রায় ভরে যাওয়ার খবরও পাওয়া গিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রামলীলা ময়দানের ধারণক্ষমতা খালি অবস্থায় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার। চেয়ার ও ব্যারিকেডসহ ব্যবস্থাপনার পর তা ৩০ থেকে ৪০ হাজারের কাছাকাছি থাকে। জোটের দাবির সঙ্গে বাস্তব উপস্থিতির ব্যবধান নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা চলছে। সমাবেশের মূল বিষয় ভোটার তালিকা সংশোধন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি। নেতারা এসে বক্তব্য রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সমর্থকরা স্লোগান দিচ্ছেন। বিভিন্ন দলের পতাকা ও ব্যানার দেখা যাচ্ছে।
দিল্লি পুলিশ কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছে। হাজার হাজার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। রাত্রিযাপনের অনুমতি নেই। সমাবেশ বিকেল পাঁচটার মধ্যে শেষ করার কথা।
এই পরিস্থিতিতে জোটের কর্মীরা মাঠ ভরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।( INDI Bloc) সমর্থকদের সংখ্যা বাড়ছে কি না, তা সময়ের সঙ্গে পরিষ্কার হবে। নেতাদের আগমনের পর ভিড় আরও বাড়তে পারে বলে সংগঠকরা আশা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত বড় দাবির তুলনায় উপস্থিতি কম বলেই পর্যবেক্ষকরা মন্তব্য করছেন। রাজনৈতিক মহল থেকে এই সমাবেশকে গুরুত্বপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে। একদিকে জোটের দাবি, অন্যদিকে মাঠের বাস্তব চিত্র দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। সমর্থকরা আসতে থাকলে মাঠের পরিস্থিতি বদলাতে পারে।


