শিলিগুড়ি পেরিয়ে গুয়াহাটি পর্যন্ত ছুটবে বুলেট ট্রেন! অনুমোদন মোদী সরকারের

শিলিগুড়ি এখন উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলার সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে( Bullet Train)। প্রস্তাবিত নর্দান বুলেট ট্রেন করিডরের সম্প্রসারণে এই সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে।…
শিলিগুড়ি এখন উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলার সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে( Bullet Train)। প্রস্তাবিত নর্দান বুলেট ট্রেন করিডরের সম্প্রসারণে এই সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে। মূল পরিকল্পনায় দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত করিডর নির্মাণের কথা ছিল। এখন সেটি গুয়াহাটি পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমোদন মিলেছে।
এই সিদ্ধান্তে শিলিগুড়ি আর শেষ স্টেশন থাকবে না। ( Bullet Train)এটি একটি মধ্যবর্তী ট্রানজিট হাব হিসেবে কাজ করবে। রুটটি উত্তর প্রদেশ ও বিহার হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে অসমে পৌঁছাবে। ফলে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। করিডরের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার বলে ধরা হচ্ছে। দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি যাত্রা সময় বর্তমানে প্রায় ২০ ঘণ্টা লাগে। বুলেট ট্রেন চালু হলে তা কমে ছয় ঘণ্টায় নেমে আসতে পারে। দিল্লি-গুয়াহাটি যাত্রা আট ঘণ্টারও কম সময়ে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও দেখুনঃ শিখ গণহত্যার দিনেই কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে ইন্ডির! বিস্ফোরক শাহ
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই সম্প্রসারণের কথা জানিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আগে করিডর শিলিগুড়ি পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকার কথা ছিল। তাঁর লিখিত অনুরোধ ও বৈঠকের পর গুয়াহাটি পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
পশ্চিমবঙ্গের জন্য এই সম্প্রসারণ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। শিলিগুড়ি-গুয়াহাটি অংশ পর্যটন, ব্যবসায়িক ভ্রমণ ও বাণিজ্যিক সংযোগকে শক্তিশালী করবে। আসাম ও উত্তর-পূর্বের বাজারের সঙ্গে বাংলার যোগাযোগ সহজতর হবে। স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
রুটের সঠিক অ্যালাইনমেন্ট, মধ্যবর্তী স্টেশন এবং নির্মাণের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে দিল্লি থেকে আগর, কানপুর, লখনউ, অযোধ্যা, বারাণসী, পাটনা হয়ে শিলিগুড়ি এবং তারপর গুয়াহাটি পর্যন্ত যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে।( Bullet Train) যাত্রা সময় কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের সুবিধা বাড়বে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলার এই নতুন সংযোগ আঞ্চলিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিলিগুড়ি এখন শুধু দরজা নয়, বরং একটি সক্রিয় সংযোগ কেন্দ্র হয়ে উঠবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দুই অঞ্চলের মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই কমে যাবে।
এই করিডর উত্তর ভারত থেকে পূর্ব ও উত্তর-পূর্বের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নতুন মাত্রা দেবে। নির্মাণ কাজ শুরু হলে স্থানীয় পরিকাঠামো উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।



