abhishek banerjee close aide Trinamool Congress leader arrested from Bhabanipur area

এবার পুলিশের জালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মিসবাউদ্দিন মল্লিক ওরফে খোকন। তোলাবাজি, মারধর-লুটপাট এবং ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে একসময়ের বাহুবলিকে এই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুধু তাই নয়, ধৃতের বিরুদ্ধে অবৈধ বালি খাদান চালানো, বাড়ি ভাংচুর-হুমকি দেওয়ার মতো মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে। আজ, সোমবার ধৃত মিসবাউদ্দিন মল্লিককে আদালতে তোলা হয়। সেখানে তাঁর কঠিন শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। শুধু তাই নয়, তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ডিমও। যা নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বিজেপি নেতা ইকবাল হোসেন মল্লিক বলেন, গত বিধানসভা ভোটের পর খোকনের নেতৃত্বে এলাকায় সন্ত্রাস চলেছিল। বিজেপি কর্মীদের ঘর ছাড়া হতে হয়েছিল। আমরা চাই কঠোর শাস্তি হোক।”
জানা গিয়েছে, ধৃত মিসবাউদ্দিন মল্লিক বর্তমানে পুরশুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি। তাঁর নিজের একটি ঠিকাদার সংস্থা রয়েছে। গত কয়েকবছর আগে ধৃত তৃণমূল নেতার তারকেশ্বরের চাঁপাডাঙার অফিসে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হওয়া এলাকায় তাঁর দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। এমনকী পূর্বতন সরকারের জমানায় খোদ নিজের দলের নেতা, তৃণমূলের মাদারের ব্লক সভাপতি জয়দেব জানাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল খোকনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এরপরেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরই খোকনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। শুরু হয় তদন্ত। জানা যায়, রবিবার গভীর রাতে ভবানীপুর এলাকা থেকে ‘ত্রাস’ খোকন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে পরশুনা থানার পুলিশ।
গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীসমর্থকরা। স্থানীয় বিজেপি নেতা ইকবাল হোসেন মল্লিক বলেন, গত বিধানসভা ভোটের পর খোকনের নেতৃত্বে এলাকায় সন্ত্রাস চলেছিল। বিজেপি কর্মীদের ঘর ছাড়া হতে হয়েছিল। আমরা চাই কঠোর শাস্তি হোক।” এমনকী ‘চোর-চোর’ স্লোগানও দিতে থাকেন। এদিকে গ্রেপ্তার হতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল খোকনের একাধিক ছবি। কোনও ছবিতে তাঁকে রাইফেল হাতে কালো ঘোড়ার ওপর বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে, কোনও ছবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ধৃত খোকনকে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, চাকরি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ছবি রয়েছে তাঁর।
শেয়ার
লিংক



