0%

Suri Court Seeks Report Against Anubrata Mondal, Jiban Krishna Saha

চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লক্ষাধিক টাকা নেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডল, জীবনকৃষ্ণ সাহা-সহ মোট ছ’জনের বিরুদ্ধে সিউড়ি সিজেএম আদালতে দায়ের হয়েছে পিটিশন। সেই আর্জির প্রেক্ষিতে একটি তদন্তমূলক রিপোর্ট জানতে সিউড়ি থানার কাছে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনও আদালত কোনও মতামত বা সিদ্ধান্ত জানায়নি। 

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এখন তদন্তের অগ্রগতি জানিয়ে সিউড়ি থানাকে ১৭ জুলাই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই মামলার পরবর্তী শুনানি ও আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোবে, তা নির্ধারিত হবে।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, সদাইপুর থানার সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা জনৈক কল্যাণ ঘোষ গত ১১ জুন সিউড়ির সিজেএম আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হলেও প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়নি। অভিযোগপত্রে প্রসেনজিৎ ঘোষ, তন্দ্রা ঘোষ ও উত্তম ঘোষের নাম রয়েছে। পাশাপাশি আরও তিনজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, ওই তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, বড়ঞাঁর প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের এক প্রাক্তন সভাপতি রাজা ঘোষের নাম রয়েছে। সব মিলিয়ে ছ’জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ পাওয়ার পর আদালত সিউড়ি থানাকে তদন্ত করে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। প্রথমে ১৯ জুন রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করেনি। পরে ২ জুলাই পুনরায় রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হলেও নানা কারণে এ দিনও তা আদালতে জমা পড়েনি। ফলে বিচারক আবারও সিউড়ি থানাকে আগামী ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি-সংক্রান্ত রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন।

শুক্রবার মামলার সরকারি আইনজীবী মোক্তাব হোসেন জানান, অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী প্রসেনজিৎ ঘোষ, তন্দ্রা ঘোষ ও উত্তম ঘোষ বিভিন্ন তৃণমূল নেতার নাম করে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়েছিলেন। অভিযোগে ওই তিনজন ছাড়াও আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। তবে সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডল বা জীবনকৃষ্ণ সাহার নাম রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এখন তদন্তের অগ্রগতি জানিয়ে সিউড়ি থানাকে ১৭ জুলাই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই মামলার পরবর্তী শুনানি ও আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোবে, তা নির্ধারিত হবে।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker