প্ল্যান ছিল বাংলাদেশ পালানোর, তাড়া খেয়ে NIA এর হাতে গ্রেফতার শওকত মোল্লা!

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক তিনি, নাম শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। বিধানসভা ভোটার সময় ব্যাপক চর্চায় থাকলেও এবার ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সির কাছে ধরা পড়লেন ভাঙড়ের প্রাক্তন তৃণমূল প্রার্থী।
NIA এর হেফাজতে প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা
যেমনটা জানা যাচ্ছে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে পালানোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন শওকত। কিন্তু চুনাখালিতে আমজনতা দেখেই চিনতে পেরে যায় তাকে। এরপর তাকে তাড়া করে সাধারণ মানুষ। শেষমেশ NIA এর হাতে ধরা পড়েন। এদিন শওকত বাহিনীর বেশ কিছুজনকে আলিপুর কোর্টে তোলা হয়েছিল। এরপর কোর্ট চত্বরেই নজরবন্ধী করে রাখা হয়েছিল তাঁদের। এদিকে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়েও যাওয়া হয়েছিল।
এই সমস্ত ঘটনার পর কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে যাওয়ার কথা ভাবছিলেন তিনি। এদিন সকালেই দক্ষিণ বামুনিয়া, ভাঙড় এলাকায় বিস্ফোরণের মামলায় তল্লাশি করতে চেয়ে জীবনতলার বাড়িতে যায় এনআইএ। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। বদলে স্ত্রী ও মেয়েকে কিছুক্ষন জেরা করা হয়। এর ২৪ ঘন্টা পেরোতেই অ্যারেস্ট করা হল তাকে।
আরও পড়ুনঃ SIR-2026 এ নাম না থাকলে বাতিল রেশন কার্ড! দুর্নীতি রুখতে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের
দক্ষিণ বামুনিয়ার বিস্ফোরণের তদন্তে NIA
সেদিনের বামুনিয়ার ঘটনা কেউই ভাবতে পারেনি এতবড় আকার ধারণ করবে। যদিও আইএসএফ এর নওশাদ সিদ্দিকী কিন্তু NIA তদন্তের জন্য দাবি জানিয়েছিলেন। এরপর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল শওকত। এমনকি সূত্র বলছে বাংলাদেশে পালানোর চেষ্টায় ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হল না, তুলে নিয়ে গেল ন্যাশনাল ইনভেস্টিংয়েটিং এজেন্সি।
প্রসঙ্গত, শওকত অ্যারেস্ট হওয়ার পর পরিবার ও মেয়ের দাবি, শওকত পালায়নি, ব্যক্তিগত একটি কাজে বাইরে গিয়েছিলেন মাত্র। ফিরে আসার পরেই তাকে NIA এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার কি শওকত মোল্লার জেল থাকবে?
প্রসঙ্গত, এই মামলায় শওকতের পাশাপাশি আরেক তৃণমূল নেতা ওয়াহিদুল ইসলাম সহ আরও একাধিকজনকে ধরা হয়েছে। তদন্ত সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভোটের আগে এলাকায় বিশাল পরিমাণ বোমা মজুত করা হচ্ছে বলে সন্দেহ হয়েছিল। শুক্রবার নিজেই নিউটাউনের অফিসে যাচ্ছিলেন শওকত। কিন্তু তার আগেই চিংড়িঘাটা ব্রিজ থেকে ধরা হয় তাকে।




