0%

মেসি মূর্তি অতীত, শীঘ্রই বসবে বাঙালির প্রিয় স্ট্যাটু, বড় খবর শোনালেন নয়া ক্রীড়া মন্ত্রী

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন মানেই বাংলার ফুটবলের আবেগ আর গ্যালারি ফাটানো উন্মাদনা। এবার সেই উন্মাদনা আর শতবর্ষ প্রাচীন ডার্বির ইতিহাসকে চিরস্থায়ী সম্মান জানাতে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিল ক্রীড়া দফতর। যুবভারতীর সামনের চত্বর থেকে সরানো হচ্ছে পুরনো অর্ধাবয়ব মূর্তি। বদলে কার মূর্তি বসবে সেটাও ঠিক হয়েছে বলে জানালেন ক্রীড়া মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। ভাবছেন কার মূর্তি থাকবে? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

যুবভারতীতে নতুন মূর্তির পরিকল্পনা

বিতর্কিত অর্ধাবয়ব মূর্তির জায়গায় আসছে নতুন প্রতীকী মূর্তি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের সমর্থকদের পুরোদস্তুর জার্সি পরা দুটি মূর্তি। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক নিজে এই ঘোষণা করেছেন। নিশীথ প্রামাণিক স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাংলার ফুটবলের ঐতিহ্য ও ১০০ বছরের ডার্বিকে সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত। দুই দলের সমর্থকদের প্রতীক হিসেবে থাকবে দুটি মূর্তি। একজন ইস্টবেঙ্গলের জার্সি, অন্যজন মোহনবাগানের জার্সি পরে দাঁড়িয়ে থাকবেন।

ফুটবলপ্রেমীরা এই খবরে উচ্ছ্বসিত। কারণ যুবভারতী শুধু একটা স্টেডিয়াম নয়, বাংলার ফুটবলের হৃদয়। নতুন মূর্তি সেই হৃদয়কে আরও জীবন্ত করে তুলবে বলে আশা করা যায়। শুধু মূর্তি নয়, মেসি ম্যাচের টিকিট কাণ্ড নিয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছেন মন্ত্রী। এদিন তিনি বলেছেন, “মেসি ফাইল ফের খোলা হয়েছে। যারা মানুষের চোখের জল ফেলিয়েছেন, তাঁরা সবাই শাস্তি পাবেন।”

আরও পড়ুনঃ নেতা হিসেবে টেক্কা দেন ধোনিকেও! T-20 তে ভারতের ক্যাপ্টেন সূর্যকুমারের অসাধারণ রেকর্ড দেখে নিন

কোথায় গেল লিওনেল মেসির মূর্তি?

মূর্তি সরানোর প্রসঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছিল বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির মূর্তির কথা। তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মন্ত্রী জানিয়েছেন, মেসির মূর্তিটি কোথাও ফেলে দেওয়া হয়নি, বরং অত্যন্ত সযত্নে রাখা আছে। বর্তমানে বর্ষাকাল চলায় মাটি পরীক্ষার কাজ চলছে। স্টেডিয়াম চত্বরের কোন অংশের মাটি ওই ভারী মূর্তি বসানোর জন্য সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত, তা বৈজ্ঞানিকভাবে খতিয়ে দেখেই উপযুক্ত জায়গায় ফের সসম্মানে মেসির মূর্তি প্রতিস্থাপন করা হবে।

নিশীথ প্রামাণিক আরও বলেন, স্বরূপ বিশ্বাসসহ অন্যান্য দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার ক্লাব নিয়েও অভিযোগ জমা পড়েছে। প্রয়োজনে ইডি তদন্ত করবে। তাছাড়া বিধাননগরের দখল করা মাঠও পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে, ক্রীড়া দপ্তর এবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পথে হাঁটছে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker