0%

বড় চমক নয়, এবারের বাজেটে স্বস্তির খোঁজে মধ্যবিত্ত!

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ যত এগিয়ে আসছে, দেশের মধ্যবিত্ত মানুষের প্রত্যাশাও ততই স্পষ্ট হচ্ছে। বড় করছাড় বা চমকপ্রদ ঘোষণার চেয়েও মধ্যবিত্ত চায় স্থিতিশীল উপার্জন, নিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধি। এর ফলে মধ্যবিত্তের দৈনন্দিন খরচ বেশ কিছুয়া হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। চাপ কমবে পকেটে।

মধ্যবিত্ত কী চাইছে, সেই প্রত্যাশা বুঝতে একাধিক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছে সর্বভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম। এক বিশেষজ্ঞ বলছেন, মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি চাকরির নিরাপত্তা ও মূল্যস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ। স্থানীয় উৎপাদন, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ নিয়ম ও সহজে অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ বাড়লে একাধিক পণ্যের দামও স্থিতিশীল থাকবে। আর তার প্রভাব পড়বে শ্রমিক, তাঁতি ও ক্ষুদ্র শিল্পে চাকরিরতদের উপর।

বহু মধ্যবিত্তের কাছে নিজের বাড়ি তৈরি বা নিজের বাড়ি কেনা এখনও স্বপ্নের মতো। এক বিশেষজ্ঞ বলছেন, বাড়ির দাম ও নির্মাণ ব্যয় বাড়ায় সাশ্রয়ী আবাসন তৈরি কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি যে কোনও নির্মাণ প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন, ভাড়াভিত্তিক হাউজিং ও পুরনো আবাসন সংস্কারের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন।

আরও এক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, করমুক্ত আয়ের সীমা ১২ লক্ষ টাকার বেশি হওয়ায় কর নিয়ে উদ্বেগ কমেছে। এখন মানুষ চাইছে নীতির ধারাবাহিকতা ও দামের স্থিতি। বাড়ি ঋণের সুদ মূলত মূল্যস্ফীতি ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নীতির উপর নির্ভর করবে।

সবশেষে, জ্বালানি, এলপিজি, দুধ সহ একাধিক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামই মধ্যবিত্তের সবচেয়ে বড় চিন্তা। ২০২৬ সালের ইউনিয়ন বাজেটের সাফল্য কিন্তু একাধিক চমকে লুকিয়ে নেই। বরং তা দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি আনতে পারলেই হবে আসল সফলতা।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker