0%

বেলজিয়ামেও ‘মহানায়ক’ নস্ট্যালজিয়া! অভিনব উত্তম-স্মরণ ব্রাসেলসের এই পুজোয়

তিনি মহানায়ক। কলকাতার রাজপথ, শহরতলির অলিগলি ছাপিয়ে তাঁর দ্যুতি দশকের পর দশক ধরে বিশ্বমঞ্চে বাঙালির এক মস্ত আবেগের প্রতিনিধিত্ব করে। বাঙালি যেখানে মহানায়কও সেখানে। বাংলা পেরিয়ে দুর্গাপুজোয় বেলজিয়ামের ব্রাসেলসেও উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ পালন করছে প্রবাসী বাঙালিদের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তেরো পার্বণ’। তাঁদের এবারের পুজোয় তুলে ধরা হয়েছে কিংবদন্তি অভিনেতাকে ঘিরে বাঙালির আবেগ, স্মৃতি ও নস্ট্যালজিয়া।

রাজধানী শহর ব্রাসেলসে দেবী দশভুজার আরাধনা। নিজস্ব ছবি

প্রায় ৭,৬৬০ কিলোমিটার। এটাই বাংলা ও বেলজিয়ামের দূরত্ব। কিন্তু বাংলার আকাশের রং বদলালে প্রবাসী বাঙালির মনেও যে দোলা লাগে! পুজোয় বাড়ি বা শিকড়ে ফিরে আসা হয় না। তাতে কী! দুগ্গা মা যখন বাপের বাড়ি আসেন, তখন সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব মুহূর্তে যেন ঘুচে যায়। একলহমায় মিলে যায় ব্রাসেলস ও বাংলা। আর এই আবেগ থেকেই ২০২১ সালে পথ চলা শুরু প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন ‘তেরো পার্বণে’র। সেবারই বেলজিয়ামের রাজধানীতে শুরু হয় দেবী দশভুজার আরাধনা। এ বছর তাঁদের ষষ্ঠ বর্ষ।

১৭ অক্টোবর বেদমন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে পুজোর সূচনা হয়েছে। উত্তম কুমারের জনপ্রিয় গানে নৃত্য পরিবেশনা হয়েছে। কলকাতা থেকে প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় বাদ্যযন্ত্র শিল্পীরাও সেখানে গিয়েছেন। আর বাঙালি মানে রসনাতৃপ্তির আয়োজন তো থাকবেই। পুজোর পর বিজয়া সম্মিলনীতেই রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। দীপাবলিও উদযাপন করেন তাঁরা। শুধু পুজো বা অন্যান্য সাংস্কৃতিক আয়োজনই নয়। সংগৃহীত অর্থে বিদেশের মাটিতে বাংলা ভাষার প্রচার করেন তাঁরা। আর এভাবেই বিদেশ বিভুঁইয়েও বাংলার মাটি, বাংলার উৎসব নিজের মতো করে নিজেকে গড়ে নিয়েছে। বাংলার দুর্গাপুজো যে সর্বজনীন। আর উত্তমও। এবছর তাই মিলেমিশে গিয়েছে দুই আবেগ। 

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker