ভারতীয় নাগরিকত্বের আগেই ভোটার তালিকায় নাম! সোনিয়ার বিরুদ্ধে ফের মামলা

ভারতের নাগরিক হওয়ার আগেই দেশের ভোটার তালিকায় নাম তোলার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মামলাও হয়েছিল। যদিও ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ওই মামলায় সোনিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। এবার পালটা মামলায় চাপে পড়লেন কংগ্রেস সভানেত্রী। সোমবার দ্বারকার বিশেষ আদালত রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের রায়কে খারিজ করল। বিচারপতি বিশাল গোগনের পর্যবেক্ষণ পূর্ববর্তী রায়টি ছিল ‘যুক্তিহীন এবং ত্রুটিপূর্ণ’।
অতীতে সোনিয়ার ভোটার তালিকায় ‘অবৈধভাবে’ নাম তোলা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর কম হয়নি। বিজেপির আইটি সেলের তৎকালীন সর্বভারতীয় প্রধান অমিত মালব্য দাবি করেছিলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছিল সোনিয়ার। নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়ার ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন বিজেপি নেতা। তিনি যুক্তি দেন, ১৯৬৮ সালে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে বিয়ে হলেও সোনিয়া ভারতীয় নাগরিকত্ব পান ১৯৮৩ সালে। প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়ার নাম থাকে কীভাবে? গোটা বিষয়টি যাচাই করার দাবি জানান মালব্য।
বিতর্কের মধ্যে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে সোনিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের সেন্ট্রাল দিল্লি কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি বিকাশ ত্রিপাঠীর আইনজীবী পবন নারাং। জালিয়াতির অভিযোগে কংগ্রেস নেত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআরের দাবি জানান নারাং। ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর প্রমাণের অভাবে সেই মামলায় অভিযোগকারীর তদন্তের আবেদন খারিজ করেছিল রাউস এভিনিউ আদালত।
বিশেষ আদালত রাউস এভিনিউ আদালতের ওই রায়কেই বাতিল করেছে। বিচারপতি বিশাল গোগনের পর্যবেক্ষণ, উপযুক্ত যুক্তি না দর্শিয়েই মামলা খারিজ করা হয়েছিল। আইনি ত্রুটির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এই অবস্থায় আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে ওই মামলার শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
শেয়ার
লিংক



