0%

যুবরাজকে ফেরাতে স্লোগান, বন্ধ ইন্টারনেট! কেমন আছে ইরান?

নয়াদিল্লি: বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইন্টারনেট, কিন্তু তারপরেও বিক্ষোভের আগুন বাগে আনতে পারেনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসন। গত কয়েকদিনে পরিস্থিতি আরও উত্তাল হয়েছে। এই মুহূর্তে সে দেশের ৩১টি অঙ্গরাজ্যের সবক’টিই সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাতে জাতীয় ঐক্য়ের ডাক দিয়েছেন খামেনেই। এমনকি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি ‘নাক না-গলানোর’ পরামর্শও দিয়েছেন।

নিহত অর্ধশত

খামেনেই সরকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমে প্রাণ গিয়েছে ৫০-এর অধিক বিক্ষোভকারীর। ইরানের সেনার হাতে নিহত হয়েছেন তাঁরা। ইরানে কর্মরত নরওয়ের একটি মানবিধাকার সংগঠন জানিয়েছে, গত কয়েকদিনের আন্দোলনে সেনা-পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ পৌঁছে গিয়েছে। এদের মধ্যেই বেশির ভাগ ১৮ বছর বয়সের। যদিও অন্য কয়েকটি সংগঠন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৬৫ পেরিয়ে গিয়েছে। আটক হয়েছেন ২৩০০ জন।

ইজরায়েলের বিরুদ্ধে আসরে ইরান

ইতিমধ্য়েই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে দ্বারস্থ হয়েছে ইরান সরকার। ইজরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তারা। ইরান সরকারের দাবি, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার তাঁদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। উস্কানিও দিচ্ছে। এমনকি, শুধুই ইজরায়েল নয়, আমেরিকার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন খামেনেই। তাঁদের দাবি, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সংহিংস, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে পরিণত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি (প্রাক্তন শাসক রেজা শাহ পাহলভির পুত্র) জনগণকে প্রতিবাদে নামার ডাক দিয়েছিলেন। তারপরেই ইন্টারনেট ও টেলিফোন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। নেটব্লকসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই ডিজিটাল সেন্সরশিপ আরোপের পর ইরানজুড়ে বিক্ষোভের তেজ আরও বেড়ে গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker