শিল্পের জন্য জমির অভাব হবে না, ‘ল্যান্ড ব্যাঙ্ক’ গড়তে শিল্প জমির তালিকা বানাচ্ছে রাজ্য সরকার

বাংলা হান্ট ডেস্ক: শিল্প ছাড়া কার্যত থমকে আছে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন। তাই বাংলাকে আবার আগের মতো শিল্পমুখী করে তুলতে কার্যত বদ্ধপরিকর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তথা বিজেপি সরকার (BJP Government)। আর এবার বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা একাধিক কলকারখানার জমি পুনরুদ্ধার (Industrial Land Recovery) করার জন্য উদ্যোগী হতে চলেছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)।
পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের উন্নয়নে বন্ধ অব্যবহৃত কলকারখানার জমি পুনুরুদ্ধার করবে সরকার
সম্প্রতি কলকাতায় এক শিল্প সভার আয়োজন হয়েছিল। সেখানেই নতুন অর্থমন্ত্রী পরে থাকা জমি পুনুরুদ্ধার করে ব্যবহারের কথা জানান। যদিও বাংলায় এই নবগঠিত বিজেপি সরকারের বয়স এখন মাত্র ১২ সপ্তাহ। এরইমধ্যে রাজ্যের শিল্পায়নের একাধিক পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করে তুলতে একের পর এক পদক্ষেপ নিতেও শুরু করেছে এই নতুন সরকার।
অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত সম্প্রতি একটি শিল্প-সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুরনো অব্যবহৃত শিল্প কারখানার জমি পুনরুদ্ধার করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি জনিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে এই জমি পুনরুদ্ধার করার জন্য নতুন আইন আনার ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এরফলে আগামী দিনে রাজ্যে নতুন শিল্প ও পরিকাঠামো চালু করতে গেলে বন্ধ ও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে থাকা শিল্পকারখানাগুলোর দখলে থাকা জমি পুনরুদ্ধার করা অনেক সহজ হবে।
আরও পড়ুনঃ ‘পরিযায়ীরা ফিরতে শুরু করুন’, বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
ল্যান্ড ব্যাঙ্ক তৈরির সিদ্ধান্ত সরকারের
নতুন শিল্প আনতে এবার রাজ্যের বন্ধ কলকারখানার জমি পুনরুদ্ধারের কাজে জোর দিতে চাইছে সরকার। এর জন্য কলকাতার সংলগ্ন জমি ছাড়াও গোটা রাজ্যের ফাঁকা পরে থাকা জমির খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বাধা আসলেও তা অতিক্রম করেই এই শিল্প ও অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর। শুধুমাত্র ভারতীয় কোম্পানি নয়, বিদেশ বিনিয়োগের জন্যও চেষ্টা চালাচ্ছে শুভেন্দু সরকার।
প্রসঙ্গত শিল্পের জন্য দেওয়া হলেও এমন অনেক জমি আছে যা দিনের পর দিন অচল হয়ে পড়ে আছে, এবার সেই সমস্ত জমির তালিকা তৈরি করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে নবান্ন। এক্ষেত্রে প্রথমে বিনিয়োগকারীদের সাথে আলোচনা করে তাদের দ্রুত কাজ শুরু করার নিদের্শ দেওয়া হবে। কেউ যদি বিনিয়োগ করতে রাজি না হন তাহলে তাদের সেই জমি ছেড়ে দিতে বলা হবে। আর যদি কোনোভাবে সুরাহা না হয় তখন আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




