শহরের স্কুল থেকে গ্রামে বদলি হবেন শিক্ষকরা, বড় সিদ্ধান্ত প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের

SOBDIK NEWS: উত্তর দিনাজপুরের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে কোথাও শিক্ষকের সংখ্যা বেশি, আবার কোথাও শিক্ষকের (Teachers) অভাব রয়েছে। শহরের স্কুলগুলিতে পড়ুয়ার তুলনায় বেশি শিক্ষক রয়েছেন। অন্যদিকে, গ্রামের অনেক স্কুলে প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক কম। এই সমস্যা মেটাতে এবার শহরের স্কুলে থাকা অতিরিক্ত শিক্ষকদের গ্রামে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। পুজোর ছুটি শেষ হলেই এই বদলির কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।
পুজোর ছুটি শেষ হলেই গ্রামে যেতে হবে শিক্ষকদের (Teachers)
উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতি সুব্রত সরকার জানিয়েছেন, অতিরিক্ত শিক্ষকদের (Teachers) বদলির জন্য প্রশাসনিক কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ১২ জন শিক্ষকের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুজোর ছুটি শেষ হলে ওই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের গ্রামীণ স্কুলে গিয়ে কাজে যোগ দিতে হবে।
পুজোর ঠিক আগে নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সুব্রত সরকার। এরপর পুজোর ছুটি শুরু হয়ে যাওয়ায় স্কুলগুলি বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময়ের মধ্যেই অতিরিক্ত শিক্ষকদের (Teachers) তালিকা তৈরি করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা খুব কম বা একেবারেই নেই, সেই স্কুলগুলির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সার্কেলের স্কুল পরিদর্শকদের সঙ্গে কথা বলে বদলির জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। এবার সেই নিয়ম মেনেই কাজ হবে।
উত্তর দিনাজপুরের ৯টি ব্লকে ১,৪০০-র বেশি প্রাথমিক স্কুল রয়েছে। এই স্কুলগুলিতে ৪,৯০০-রও বেশি শিক্ষক (Teachers) রয়েছেন। কিন্তু জেলার সব স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা সমান নয়। রায়গঞ্জ সদর সার্কেল-সহ শহরের বেশ কয়েকটি স্কুলে পড়ুয়ার তুলনায় শিক্ষক বেশি রয়েছেন। রায়গঞ্জ করোনেশন প্রাথমিক স্কুল এবং রায়গঞ্জ রামকৃষ্ণ প্রাথমিক স্কুলেও অতিরিক্ত শিক্ষক রয়েছেন। জানা গিয়েছে, রাজ্যে পালাবদলের আগে গ্রামের অনেক স্কুল থেকে শিক্ষকরা শহরের স্কুলে বদলি হয়ে এসেছিলেন। এর ফলে গ্রামের স্কুলগুলিতে শিক্ষকের অভাব দেখা দেয়। এই বিষয়টি শিক্ষা দপ্তরের নজরেও এসেছে।

আরও পড়ুনঃ নভেম্বরে এই কাজ না করলে ডিসেম্বর থেকে বন্ধ হতে পারে Pension! কী করবেন পেনশনভোগীরা?
রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ এবং ইসলামপুর শহরের একাধিক প্রাথমিক স্কুলেও পড়ুয়ার তুলনায় শিক্ষক (Teachers) বেশি রয়েছেন। তাই এবার শহরের স্কুল থেকে অতিরিক্ত শিক্ষকদের গ্রামে পাঠিয়ে শিক্ষকের অভাব মেটানোর উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ।




