0%

Kakali Ghosh Dastidar writes letter to CM Suvendu Adhikari demanding justice for martyrs’ family

একুশের জুলাইয়ের শহিদদের (21 July Shahid Diwas) ন্যায়বিচার নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) চিঠি পাঠালেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিন পাতার চিঠিতে কাকলি সরাসরি তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তুললেন। তাঁর অভিযোগ, ১৯৯৩ সালে বাম সরকারের আমলে যেমন গুলিতে নিহত ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর পরিবার বিচার পায়নি, তেমনই ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেও তৃণমূল সরকারও নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি। মামলাটি পুনরায় খোলা হয়নি বা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ৩৩ বছর পরেও নিহতদের পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। তাই ওই মামলার পুনরায় তদন্ত ও রিপোর্ট প্রকাশের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি তুলেছেন তৃণমূলের ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। শুভেন্দুকে লেখা চিঠিতে মোট ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন তিনি।

২১ জুলাইয়ের গুলিকাণ্ডের বিচার নিয়ে বামফ্রন্টের পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের ভূমিকাকেও প্রশ্নের মুখে তুললেন বারাসতের ‘বিক্ষুব্ধ’ তৃণমূল সাংসদ তথা বর্তমানে এনসিপিআই নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে লেখা তিন পাতার চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, সেদিনের গুলিচালনার ঘটনাকে বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশন ‘‘বিনা উসকানিতে, অসাংবিধানিক ও অপ্রয়োজনীয়” বলে উল্লেখ করলেও সেই রিপোর্ট আজও কার্যকর বা প্রকাশ করা হয়নি। কাকলির দাবি, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই পুলিশ গুলি চালায়। একই সঙ্গে তৎকালীন তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, সিপিএম নেতা বিমান বসু এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তের ভূমিকাও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।

শহিদদের ন্যয়বিচার চেয়ে শুভেন্দুকে চিঠি কাকলির

২১ জুলাইয়ের গুলিকাণ্ডের বিচার নিয়ে বামফ্রন্টের পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের ভূমিকাকেও প্রশ্নের মুখে তুললেন বারাসতের ‘বিক্ষুব্ধ’ তৃণমূল সাংসদ তথা বর্তমানে এনসিপিআই নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লেখা তিন পাতার চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, সেদিনের গুলিচালনার ঘটনাকে বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশন ‘‘বিনা উসকানিতে, অসাংবিধানিক ও অপ্রয়োজনীয়” বলে উল্লেখ করলেও সেই রিপোর্ট আজও কার্যকর বা প্রকাশ করা হয়নি। কাকলির দাবি, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই পুলিশ গুলি চালায়। একই সঙ্গে তৎকালীন তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, সিপিএম নেতা বিমান বসু এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তের ভূমিকাও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।

তবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুভেন্দু অধিকারীকে লেখা চিঠিতে তৃণমূল সরকারের ভূমিকাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পরও মামলা ‘রিওপেন’ বা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। বরং কমিশনের সুপারিশে নাম থাকা মণীশ গুপ্তকে প্রথমে ভোটে দাঁড় করিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী এবং পরে রাজ্যসভার সাংসদ করা হয়। পাশাপাশি লালবাজার ও রাইটার্স বিল্ডিং থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি নিখোঁজ হওয়ার পর তা উদ্ধারে বা যাঁরা দায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তিনি ৬ দফা দাবি করেছেন। মামলার পুনরায় তদন্ত, কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, দায়ী পুলিশ ও আমলাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং নিহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি তুলেছেন বারাসতের সাংসদ।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস উদযাপন নিয়ে তুঙ্গে দড়ি টানাটানি। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল’ তৃণমূলের কে পাবে ২১ জুলাই পালনের অধিকার, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে লেখা কাকলি ঘোষ দস্তিদারের চিঠি নতুন মাত্রা সংযোজন করল, তা বলাই যায়।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker