TMC Party office in Bolpur empty after losing in elections

গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ফিকে হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের সাংগঠনিক দাপট। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই বোলপুরে জেলার তৃণমূল কার্যালয়ে নেমে এসেছে অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। নেই কর্মী-সমর্থকদের ভিড়! দেখা মিলছে না দলের শীর্ষ নেতৃত্বেরও। একসময় জেলার রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত সেই কার্যালয় যেন হারিয়েছে পুরনো জৌলুস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অনুব্রত মণ্ডল ও জেলা কোর কমিটির রণকৌশল মেনেই পরিচালিত হয়েছিল। কিন্তু ফলাফল প্রত্যাশামতো হয়নি।
এই বিষয়ে আরও খবর
জেলার ১১টি বিধানসভার মধ্যে ৬টিতেই জয় পেয়েছে বিজেপি। যদিও তৃণমূল ৫টি আসন ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবুও সংগঠনের অন্দরেই স্পষ্ট হতাশার ছবি। একসময় বামদুর্গ ভেঙে তৃণমূলের শক্ত ভিত গড়ে তুলেছিল। সেই বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ও ছিল রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে রাজনৈতিক সমীকরণ।
এবারের নির্বাচনে বিজেপির উত্থান সেই পরিবর্তনেরই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে। ভোটগণনায় বিজেপির সাফল্য সামনে আসতেই বোলপুর শহরের ২২টি ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধিদের একাংশের পাশাপাশি পুরপ্রধান ও অন্যান্য নেতাদেরও কার্যত জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। দলীয় কার্যালয়ে যেমন তাঁদের উপস্থিতি নেই। তেমনই রাস্তাঘাটেও চোখে পড়ছে না দলের মুখগুলিকে। ফলে নিচুপট্টি এলাকার জেলা তৃণমূল কার্যালয় এখন প্রায় কর্মীশূন্য।
দলীয় কার্যালয়ের সামনে চায়ের দোকানে বসে থাকা কয়েকজন কর্মীর কথায়, “৪ মে গণনার দিন সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে উপচে পড়া ভিড় ছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় কমতে শুরু করে। তারপর থেকে আর সেভাবে কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনা দেখা যায়নি। বিশেষ করে বোলপুর শহরে দল পিছিয়ে পড়ায় হতাশা আরও বেড়েছে।” বোলপুরের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, “কর্মীদের মধ্যে কিছুটা হতাশা তৈরি হয়েছে। খুব শীঘ্রই অঞ্চলভিত্তিক বৈঠক হবে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
শেয়ার
লিংক



