‘দরকারে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব’, টুলু মন্ডলের সাথে নাম জড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ অনুব্রতর

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিগত কদিন ধরেই শিরোনামে রয়েছেন বীরভূম জেলার পাথর সম্রাট টুলু মন্ডল (Tulu Mondal)। বারবার উঠে আসছে তার সাথে অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠতার কথাও। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়েই এদিন মেজাজ হারালেন তৃণমূলের দুর্দন্ডপ্রতাপ নেতা তথা বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)।
টুলু মন্ডল প্রসঙ্গে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রত মন্ডলের
বিরক্ত হয়েই সংবাদমাধ্যমে এদিন তিনি বললেন, ‘দেখুন বীরভূমে কিছু বলা হয় অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। তা নাহলে তো চ্যানেল চলবে না। সেইজন্যই আমি কোর্টে যাব। আমি উকিলের সাথে কথা পরামর্শ করেছি। ইমিডিয়েটলি কেস করতে হবে। আমি যখন বীরভূমের জেলা প্রেসিডেন্ট ছিলাম তখন আমার কাছে সবাই আসত। কমল খান, নাজির মোল্লাও দেখা করেছিল। সবাই কি আমার ঘনিষ্ঠ নাকি?’
সাফাই দিয়ে টুলু মন্ডল প্রসঙ্গে অনুব্রত এদিন বললেন, ‘টুলু মন্ডলের মেয়ের বিয়ে হল, অমাকে দেখেছিলেন? সবাই গিয়েছিল আমি তো যায়নি। বিরভূমের এমন কোনো মানুষ নেই যারা যায়নি। এমন কোনো নেতা নেই যারা যায়নি। সিপিএমের লোকরাও গিয়েছিল। আমি কোনো ভোজ বাড়িতেই যাই না।’
আরও পড়ুনঃ মেট্রো কানেকটিভিটি বাড়াতে সমস্যা সেই জমি! অধিগৃহীত মাত্র ২৭% জানাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
দরকারে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব : অনুব্রত
সবকিছুতে বারবার নিজের নাম জড়ানো প্রসঙ্গে অনুব্রত এদিন আবারও বললেন, ‘চ্যানেল গুলো ভাবে সবকিছুতেই অনুব্রত মণ্ডলকে জড়িয়ে দাও। এবার একটা ব্যবস্থা করবো। দরকার হলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। মানহানির কেস করবো। আমি সব রেডি করছি।’
এরপরেই মেজাজ হারিয়ে অনুব্রত বললেন, ‘পাথরের টাকা না কীসের টাকা আমি কী করে জানবো। তার সরকারের আই বি আছে, পুলিশ আছে, ডিআইজি আছে খবর নিক। আমার সাথে কী সম্পর্ক? পাথরের ব্যবসা তো কমল খানের আছে, নাজির মোল্লারও আছে।’
অন্যদিকে সরকারি রেভিনিউ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে অনুব্রত বলেছেন, ‘দেখুন আমি আড়াই বছর ছিলাম না। আমি জেলে গেছিলাম। আমি থাকা পর্যন্ত জমা রেগুলার পড়ত। তারপর কেন বন্ধ হল আমি জানি না। তারপর আমি জেল থেকে এলাম আমি আর খবর নিতাম না।’ প্রসঙ্গত সম্প্রতি টানা ২৯ ঘন্টা তল্লাশি চালানোর পর এই টুলু মন্ডল ঘনিষ্ঠ মিনার মন্ডলের বাড়ি থেকে মোট ১৫ কেজি সোনার পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে ২৮ কোটি টাকা।




