এসি ঘর, রয়েছে কন্ডোমের প্যাকেটও! বিধাননগর পুরসভার ওয়ার্ড অফিস দেখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন ‘দেখাও পাপ’

বাংলা হান্ট ডেস্ক : পুরভোটের আগে বিধাননগর পুরসভাকে (Bidhannagar Municipality) ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াল। সরকারি ওয়ার্ড অফিসের ভিতরে একাধিক এসি ঘর, খাট, ড্রেসিং টেবিল এবং কন্ডোমের প্যাকেট থাকার অভিযোগ সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে শাসকদলকে নিশানা করেছে বিজেপি। এদিন ওই ওয়ার্ড অফিস পরিদর্শন করে মন্তব্য করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
বিধাননগর পুরসভার ওয়ার্ড অফিস (Bidhannagar Municipality) দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সুকান্তনগরে বিজেপির একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির পর শারদ্বত মুখোপাধ্যায় দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বিধাননগর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড অফিসে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে তাঁদের দাবি, সরকারি দফতরের ভিতরে এমন কিছু ঘরের সন্ধান মেলে, যার ব্যবহার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে।
বিজেপির অভিযোগ, অফিসের একটি বিশাল ঘরে পাঁচটি এসি বসানো রয়েছে। সেই ঘরের সঙ্গে লাগোয়া আরেকটি ঘরে রাখা ছিল একটি খাট। আলমারি খুলে দেখা যায়, সেখানে সারি দিয়ে রাখা রয়েছে একাধিক বালিশ। এছাড়াও ঘরের মধ্যে একটি ড্রেসিং টেবিলও ছিল। বিজেপি কর্মীদের দাবি, ওই ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার খুলতেই একটি কন্ডোমের প্যাকেট পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর সরকারি দফতরের পরিকাঠামো ও ব্যবহার নিয়ে সরব হয় গেরুয়া শিবির।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বয়স হয়েছে, এমন জিনিস দেখাও পাপ। এ বার বুঝতে পারলাম শয়নকক্ষ কেন!” পাশাপাশি তাঁর মত, সরকারি কাজ পুনরায় শুরুর আগে ওই ওয়ার্ড অফিস গঙ্গাজল দিয়ে শুদ্ধ করা উচিত।
উল্লেখ্য, এই ওয়ার্ডের নির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিলর জয়দেব নস্কর ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন।

আরও পড়ুন : শুধু রং দেখে নয়! এই সহজ পরীক্ষাতেই বুঝে নিন হলুদ আসল নাকি ভেজাল
বর্তমানে প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে চলছে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাজ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিধাননগরের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অভিযোগের জবাবে তৃণমূল কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।




