ঘরের মাঠে ধাক্কা, দক্ষিণ কোরিয়ার দলের কাছে হেরে এশীয় স্বপ্নে ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের

ইস্টবেঙ্গল: ১
হাচিওন কেএসপিও: ৪
গত মরশুমে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা দলকে হারিয়ে এশীয় অভিযানের শুরুটা দারুণ হয়েছিল। কিন্তু বুধবার কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে বড়সড় ধাক্কা খেল ইস্টবেঙ্গলের মহিলা ব্রিগেড। এদিন মশাল গার্লসের প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার শক্তিশালী দল হাচিওন কেএসপিও। কিন্তু এগিয়ে গিয়েও তাদের বিরুদ্ধে হারতে হল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। ফলে এডব্লিউসিএল অভিযানে বড় ধাক্কা খেল দল।
ঘরের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শুরুটা দারুণ করেছিল ইস্টবেঙ্গল। ধারেভারে এগিয়ে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার দলটি আক্রমণ শানালেও পালটা আক্রমণের পথে হাঁটেন রেস্টি নাঞ্জিরিরা। বেশ কয়েকবার লাল-হলুদের ডিফেন্স বিপাকে পড়লেও সামাল দিয়ে দেন আনোমা ওপোকুরা। প্রথম ১৫ মিনিট সেয়ানে সেয়ানে টক্কর চলে দুই দলের মধ্যে। ১৭ মিনিটের মাথায় লাল-হলুদের ম্যাজিক মোমেন্ট। একেবারে একক দক্ষতায় ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে গোল করেন ফাজিলা ইকুয়াপুট।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর হাচিওন তেড়েফুঁড়ে কামব্যাক করে। ২৫ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল শোধ করে দক্ষিণ কোরিয়ার দলটি। যদিও গোলের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক থাকবেই। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে টানটান লড়াইয়ের পর ১-১ ফলে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু বিরতির পর লাল-হলুদ রক্ষণ একেবারে ভেঙে পড়ে। ৫১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল। পাঁচ মিনিটের মাথায় ফের গোল। বুধবারের ম্যাচের ভাগ্য ওখানেই লেখা হয়ে যায়। ম্যাচের শেষ দিকে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেয় হাচিওন।
এসিএল টু’তে ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দলের বিদায় কার্যত নিশ্চিত। মহিলা দলের আশা কিছুটা বেঁচে থাকলেও এডব্লিউসিএলের পরের পর্বে যাওয়ার পথটা খুব কঠিন। কারণ পরের প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল ২৫ এসসি, যারা হাচিওনকেও হারিয়েছে। ফলে প্রথম দুইয়ে শেষ করাটা ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে বিরাট চ্যালেঞ্জ। তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে সেরা হয়ে পরের রাউন্ডে যাওয়ার একটা পথ অবশ্য খোলা থাকবে সুলঞ্জনা রাউলদের জন্য।
শেয়ার
লিংক



