0%

১৫ বছরেই কাঁধে নেতৃত্বের চাপ, ক্ষতি হচ্ছে বৈভবের? বোর্ডকে শচীনের পরামর্শ, ‘ধাপে ধাপে এগোও’

একসময় তিনিও ছিলেন ‘বিস্ময় প্রতিভা’। সেখান থেকে আজ ক্রিকেটের ঈশ্বর। তিনি শচীন তেণ্ডুলকর। ১৬ বছর বয়সে ভারতের হয়ে অভিষেক হয়েছিল। আরেকজনের অভিষেক হয়েছে ১৫ বছর বয়সে। সে হল বৈভব সূর্যবংশী। তার থেকে ভারতের ক্রিকেটভক্তদের প্রত্যাশা প্রচুর। এমনকী ঘরোয়া ক্রিকেটে নেতৃত্বের দায়িত্বও কাঁধে এসে পড়েছে। এই বয়সে এত চাপ! তাতে ক্ষতি হবে না তো? বৈভবকে নিয়ে মুখ খুললেন শচীন (Sachin Tendulkar on Vaibhav Sooryavanshi)।

দলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলের সহ-অধিনায়ক ছিল বৈভব। একসময় অধিনায়ক ঈশান কিষান মাঠে না থাকায়, তাকে নেতৃত্ব দিতে হয়েছিল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমারদের নেতৃত্ব দিয়েছে। এই বয়সে বৈভবকে এতটা চাপ দেওয়ার বিরোধী শচীন। এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ‘আমার মনে হয়েছে, দলীপ ট্রফিতে ওকে সহ-অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত একটু তাড়াতাড়ি হয়ে গিয়েছে।’

তাহলে কী করা উচিত? শচীনের পরামর্শ, ‘আমাদের উচিত ওকে আরও বেশি করে লাল বলের ম্যাচ খেলানো। ধাপে ধাপে এগোনো উচিত।’ মুশকিল হল, বৈভব কোনও ক্রিকেটেই খেলার সুযোগ পাচ্ছে না। ভারতে এখন ঘরোয়া ক্রিকেট চলছে। সব দল রনজিতে ব্যস্ত। বৈভব ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে গিয়েছিল। সেখানে মাত্র দু’টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে। কোচ গৌতম গম্ভীর তাকে খেলাতে রাজি নন। তাহলে কি বৈভবকে দেশে ফিরিয়ে খেলার সুযোগ দেওয়া যেত না?

উল্লেখ্য, শচীন একাধিক বিষয়ে মুখ খুলেছেন। শচীন তাঁর পছন্দের অধিনায়কের তালিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে সৌরভের নামও রেখেছেন। পাশাপাশি কেন অধিনায়ক হিসেবে সফল হলেন না সেটাও বলেছেন, ‘দেশের নেতৃত্ব দেওয়া আমার কাছে সম্মানের। তবে আমি কখনই দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা পাইনি। আজ যে বিসিসিআই দেখছেন, তা অনেক পেশাদার। কিন্তু ১৯৯০-র দশকে এতটা পেশাদার ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট একটা অন্ধকার সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।’

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker