নয়া পে কমিশন সংক্রান্ত আপডেট, এই সরকারি কর্মীদের জন্য ‘ভালো খবর’

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি সরকারি কর্মীদের জন্য অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের (Government Employees) অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন (8th pay commission) নিয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩০ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সরকারি কর্মীদের অষ্টম পে কমিশন সংক্রান্ত আপডেট | Government Employees
পাঁচ রাজ্যের ভোটের পর পর অষ্টম বেতন কমিশনের পোর্টালে নোটিশ জারি করে বলা হয়েছিল, অনুমোদিত/মনোনীত নোডাল অফিসারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, বিভাগ বা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সরকারি কর্মচারীকে তাদের পরামর্শের বিষয়ে জানাতে পারবেন। জানিয়ে রাখি, দেশের ৫০.১৪ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর ও ৬৯ লক্ষ পেনশনভোগীর জন্য সুখবর বয়ে নিয়ে আসতে চলেছে অষ্টম পে কমিশন।
এর আগে বেতন কমিশনের প্রতিনিধিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। এনসি-জেসিএমের পক্ষ থেকে অনেক বড় ইস্যু উত্থাপন করা হয়েছিল। কর্মচারী সংগঠনগুলি অষ্টম অর্থ কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩.৮৩ হওয়া উচিত বলে দাবি জানিয়েছিল। যদি তা হয় তাহলে সর্বনিম্ন বেসিক বেতন ১৮০০০ থেকে বেড়ে ৬৯০০০ টাকা হতে পারে।
একইসাথে বছরে ৬ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের দাবি ও পদোন্নতির সময় অতিরিক্ত দুটি ইনক্রিমেন্টও দাবি সামনে রাখা হয়েছে। বহুদিন ধরে পেনশন প্রকল্প নিয়ে ক্ষোভ ছিল সরকারি কর্মীদের মধ্যে। ফের পুরনো পেনশন স্কিম চালু করারও দাবি করা হয়েছে।
একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, অষ্টম পে কমিশনে সম্ভাব্য ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হতে পারে ১.৮। এর ফলে ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা বেড়ে প্রায় ৩০,০০০ টাকায় পৌঁছে যেতে পারে। এদিকে বেতন পরিবর্তনের সাথে সাথে অষ্টম পে কমিশন বাস্তবায়নের পর কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা এবং মহার্ঘ্য ত্রাণও (DA ও DR) পরিবর্তন হবে।
আরও পড়ুন: আর ট্রেন বদলের ঝামেলা নয়, দিল্লি থেকে সরাসরি গোরক্ষপুর পৌঁছে দেবে ‘অমৃত ভারত’
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের নভেম্বরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য অষ্টম বেতন কমিশন গঠন করে কেন্দ্র। নিজেদের রিপোর্ট পেশ করার জন্য কমিশনকে ১৮ মাসের সময় দেওয়া হয়েছিল। এই সময়সীমার মধ্যে রিপোর্টে পেশ করবে কমিটি।



