এসিএলে আল-সিবের বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল, ফুটবলারদের ক্লান্তিই ভাবাচ্ছে হাবাসকে

অ্যাওয়ে ম্যাচে ওমান থেকে জয়ের পরিস্থিতি থেকেও ম্যাচ ড্র করে ফিরে আসতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। মঙ্গলবার সেই আল-সিবের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে খেলতে নামছেন মহম্মদ রশিদরা। বিদেশের মাটিতে ওমানের দলকে আটকে দিয়ে হাবাসের পরবর্তী লক্ষ্য ঘরের মাঠে তিন পয়েন্ট তুলে নেওয়া। যদিও এই ম্যাচে নামার আগে ক্লান্তি ভাবাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল কোচকে।
এসিএল টু-এর পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গলের কাছে এই ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিগ টেবলের তৃতীয় স্থানে থাকা ইস্টবেঙ্গল যেখানে পেয়েছে দুই পয়েন্ট, সেখানে ওমানের দলটির সংগ্রহে মাত্র এক পয়েন্ট। অ্যাওয়ে ম্যাচে কোচ হাবাস ডেভিড ও এডমুন্ডকে আক্রমণভাগে খেলিয়েছিলেন। যেখানে একে লোবা, লুকাস জেলোনস্কির মতো বিদেশি রয়েছেন দলে। তার উপর লোবার গোলও রয়েছে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশিদের বসিয়ে ভারতীয় স্ট্রাইকারদের যেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ, তা নিয়ে চর্চা হয়েছে যথেষ্টই। আল-সিব ম্যাচে গোল না পেলেও আল-শোর্তার বিরুদ্ধে গোল পেয়েছেন ডেভিড। পরপর ম্যাচ খেলতে হচ্ছে বলেই রোটেশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন হাবাস। মঙ্গলবারও সেই পরিকল্পনা নিতে পারেন।
প্রতিপক্ষ দলে তিন বিদেশি ছাড়াও জাতীয় দলের ছয় ফুটবলার রয়েছেন। তবে সে সব নিয়ে বিশেষ চাপ নিচ্ছেন না লাল-হলুদ কোচ। এসিএল টু-এর জন্যই অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে লোবা-সহ বেশ কয়েকজন বিদেশি পরে আসায় তাঁদের দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বেশ কিছু সময় লেগেছে। সেই জন্যই ডেভিডদের উপর ভরসা করছেন হাবাস। এদিন তিনি বলেন, “আমার কাছে ভারতীয় এবং বিদেশি ফুটবলারদের পার্থক্য নেই। প্রত্যেকেই গুরুত্বপূর্ণ। এই দলে বেশ কয়েকজন ভালো ভারতীয় ফুটবলার রয়েছে। তাদের উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। লুকাসরা আসার পর বিকল্প বেড়েছে। তবে নতুন ফুটবলারদের দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময় দিতে হবে। তাদের সেই সুযোগ দিতে চাই। তবে সেটা পরিস্থিতি অনুযায়ী। ওদের ধীরে ধীরে দলের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।”
ফুটবলারদের ক্লান্তি ও দলে রোটেশন পদ্ধতি নিয়ে হাবাস আরও বলেন, “এই পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। কারণ এর পরেও আবার ম্যাচ রয়েছে। তার পরে দল কয়েকদিন বিশ্রামের সুযোগ পাবে। ফুটবলারদের রোটেশনের কথা অবশ্যই ভাবছি। তবে একসঙ্গে দলের সত্তর শতাংশ ফুটবলার পরিবর্তন করতে চাই না। আমার অভিজ্ঞতায়, পাঁচ-ছ’জন কিংবা সাতজন ফুটবলারকে একসঙ্গে পরিবর্তন করলে দলের ফলাফলে তার প্রভাব পড়তে পারে। তাই প্রথমে প্রত্যেক ফুটবলারের শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখব। তার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।”
আজ এসিএল টু-তে
ইস্টবেঙ্গল বনাম আল-সিব
সন্ধ্যা ৭.১৫, যুবভারতী, ফ্যান কোড
শেয়ার
লিংক



