0%

বঙ্গে বদলের প্রভাব! মাছ চাষে জোর দিচ্ছে হিমাচল প্রদেশ

বাংলায় বদলে গিয়েছে সরকার। (Himachal Pradesh)১৫ বছরের তৃণমূল শাসনকে ধূলিসাৎ করে বাংলার মসনদে এখন ডবল ইঞ্জিন। এবার এই বদলের প্রভাব পড়ল কংগ্রেস শাসিত রাজ্য হিমাচলে।…

বাংলায় বদলে গিয়েছে সরকার। (Himachal Pradesh)১৫ বছরের তৃণমূল শাসনকে ধূলিসাৎ করে বাংলার মসনদে এখন ডবল ইঞ্জিন। এবার এই বদলের প্রভাব পড়ল কংগ্রেস শাসিত রাজ্য হিমাচলে। বাংলার নির্বাচনের আগেই আমিষ নিরামিশ নিয়ে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক তরজা। কংগ্রেস সহ বিরোধীরা দাবি করেছিল বিজেপি আমিষ বিরোধী এবং তারা ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ খাওয়া বন্ধ হবে। যদিও সে রাজনীতিতে কোনও ফল হয়নি।

এবার হিমাচল প্রদেশে সেই একই রাজনীতি শুরু করল হিমাচলের কংগ্রেস সরকার। রাজ্যে প্রথম মাছের হাব তৈরী করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চায় কংগ্রেস সরকার। বিশেষ করে সামনের বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই কংগ্রেসের এই স্ট্র্যাটেজি বাংলার কথা মনে করাচ্ছে। হিমাচল প্রদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৩% থেকে ৭০% মানুষ নিরামিষাশী।সেই রাজ্যে এই অভিনব পুরোনো স্ট্র্যাটেজি ভাতে বাড়বে কি না সেটাই দেখার।

আরও দেখুনঃ বিদেশে বসে পাঞ্জাবে খুন-তোলাবাজির ছক! ইথিওপিয়া থেকে ফিরল গ্যাংস্টার

হিমাচল প্রদেশের মৎস্য দফতরের উদ্যোগে বিলাসপুরে এই ফিশ পার্লার তৈরি করা হবে।(Himachal Pradesh) স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি রাজ্যে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছেও তাজা মাছ পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। মৎস্য দফতরের আধিকারিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিলাসপুরের আইটিআই চকের কাছে মৎস্য সচেতনতা কেন্দ্রের পাশেই এই বিশেষ পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা হয়েছে।

সেখানে ইতিমধ্যেই হিমাচল প্রদেশ পর্যটন দফতরের উদ্যোগে একটি ‘লেক ভিউ ক্যাফে’ চালু রয়েছে। সেই ক্যাফের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই ফিশ পার্লারটি পরিচালনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ফলে পর্যটকেরা এক জায়গাতেই স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি তাজা মাছ কেনার সুযোগ পাবেন।

এই প্রকল্পের বিশেষত্ব হল, এখানে প্রথমবারের মতো ক্রেতাদের জীবন্ত এবং একেবারে তাজা মাছ কেনার সুযোগ দেওয়া হবে। শুধু মাছ বিক্রির দোকান হিসেবে নয়, ভবিষ্যতে এটিকে একটি সুসংগঠিত মাছ বিপণন কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মৎস্যজাত পণ্য বিক্রির ব্যবস্থাও ভবিষ্যতে চালু করা হতে পারে।

এর ফলে স্থানীয় মৎস্যজীবী এবং মৎস্য সমবায় সমিতিগুলি নিজেদের উৎপাদিত মাছ সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি নতুন মঞ্চ পাবে। এতদিন অনেক ক্ষেত্রেই বাজারজাতকরণের সমস্যা এবং উপযুক্ত ক্রেতার অভাবে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সমস্যায় পড়তে হত। নতুন এই উদ্যোগ সেই সমস্যার সমাধানে কিছুটা সাহায্য করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সম্প্রতি মৎস্য দফতরের ডিরেক্টর তথা ওয়ার্ডেন ওম কান্ত ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রস্তাবিত জায়গাটি পরিদর্শন করেছে। ফিশ পার্লার তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, জায়গার উপযুক্ততা এবং অন্যান্য ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে।

মৎস্য দফতরের সঙ্গে পর্যটন দফতরের সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিলাসপুরের পর্যটন ব্যবসাতেও নতুন গতি আসতে পারে। বিশেষ করে লেক ভিউ ক্যাফেতে আসা পর্যটকেরা স্থানীয় পদ্ধতিতে তৈরি হিমাচলি মাছের বিভিন্ন পদ চেখে দেখার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় খাবারকে পর্যটনের আকর্ষণ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে নির্বাচনের আগে সরকারের (Himachal Pradesh)এই মাছ স্ট্রাটেজি পরিকল্পিত। তাদের মতে এই ধরণের খাবার নিয়ে রাজনীতি করে নির্বাচন জেতা যাবে না। তারা আরও বলেন বাংলা হোক বা ভারতের অন্য কোনো রাজ্য বিজেপি খাবার নিয়ে রাজনীতি করে না। তাইনা যে রাজ্যে প্রায় ৭০ ভাগ লোক নিরামিশাষী সেই রাজ্যে কংগ্রেসের এই স্ট্রাটেজি ধোপে টিকবে না।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker